আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ভুয়ো ও অবমাননাকর তথ্য ছড়ানোর (Adani Defamation Case) অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন সাংবাদিক রবি নায়ার। তাঁকে একবছরের সাজা শোনাল গুজরাটের গান্ধীনগরের জেলা আদালত। রবির বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মানহানির মামলা করেছিল আদানির সংস্থা।
আরও পড়ুন:
ঠিক কী অভিযোগ ছিল রবির বিরুদ্ধে? আদানি গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ সংস্থা আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের দাবি ছিল, রবি নায়ার মিথ্যে টুইটের একটি সিরিজ প্রকাশ ও প্রচার করেছেন। পাশাপাশি অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন। উদ্দেশ্য, আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড সর্বোপরি আদানি গ্রুপের ভাবমূর্তির ক্ষতি করা। আদালতে আদানির সংস্থা আরও জানায়, কোনও যুক্তিগ্রাহ্য সমালোচনা নয়, ওই টুইটগুলি করাই হয়েছিল সংস্থার ভাবমূর্তি জনমানসে ও বিনিয়োগকারীদের কাছে নষ্ট করতে।
জেলাশাসক জানিয়েছেন, একজন সাংবাদিক ও জনবার্তাজ্ঞাপক হিসেবে রবি নায়ারের আরও বেশি সচেতন থাকা দরকার ছিল ডিজিটাল মঞ্চে মন্তব্য করার আগে। বিশেষ করে, কারও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন বিষয়ে।
Hum dekhenge 🦾
Advertisement— Ravi Nair (@t_d_h_nair) February 10, 2026
বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আদালত জানিয়ে দিল, আদানির সংস্থা সফলভাবে এই মামলায় তাদের যুক্তিগুলি পেশ করতে পেরেছে। যা থেকে রবিকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করা হচ্ছে। একবছরের কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছে রবিকে। পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানাও দিতে হবে তাঁকে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, একজন সাংবাদিক ও জনবার্তাজ্ঞাপক হিসেবে রবি নায়ারের আরও বেশি সচেতন থাকা দরকার ছিল ডিজিটাল মঞ্চে মন্তব্য করার আগে। বিশেষ করে, কারও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন বিষয়ে। আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, যেহেতু ফৌজদারি মামলা হিসাবেই বিচারযোগ্য এই মামলা, তাই শাস্তির বিষয়ে পৃথক শুনানির প্রয়োজন নেই। এদিকে এই রায়দানের পরই রবি নায়ার বিখ্যাত কবি ফৈয়াজ আহমেদ ফৈয়াজের কবিতার পঙক্তি ব্যবহার করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘হাম দেখেঙ্গে।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?