TMC

তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের মাস্টারস্ট্রোক! এনসিপিআই-তে যোগ দিতে চেয়ে স্পিকারকে চিঠি কাকলিদের

আজ দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে সেই আবেদনই জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ২০:৪৬

options
link
তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের মাস্টারস্ট্রোক! এনসিপিআই-তে যোগ দিতে চেয়ে স্পিকারকে চিঠি কাকলিদের
এনসিপিআই-তে মিশতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি তৃণমূলের বেসুরো সাংসদদের।

ত্রিপুরার রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিশে রীতিমতো মাস্টারস্ট্রোক দিল তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবির। সরাসরি বিজেপিতে ঠাঁই না হওয়ায় চার বছরের পুরনো ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় যোগ দিয়ে এনডিএ-তে শামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বিদ্রোহী সাংসদরা। আজ দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে সেই আবেদনই জানিয়েছেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গে এনসিপিআই-এর পার্টি অফিস খোলা হবে বলে জানান ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। এনসিপিআইতে মিশতে চেয়ে স্পিকারকে চিঠি দেওয়ার পর কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এনডিএ-র সঙ্গে কাজ করব।”

Advertisement
Kakoli and others TMC rebel MP's write to the Speaker seeking to join the NCP(I)
স্পিকার ওম বিড়লার বাড়িতে সাংসদ দেব, ইউসুফ পাঠানরা।

২০২২ সালে এনসিপিআই রাজনৈতিক দলটি গঠিত হয়েছিল। এই দলের কার্যালয় রয়েছে অসম, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গে। হাওড়ার বাঁকড়ায় এনসিপির অফিস আছে। প্রায় অস্তিত্বহীন সেই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বেসুরো সাংসদরা। এর আগে কাকলিরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা লোকসভায় তৃণমূলের থেকে আলাদা একটি ব্লক করে এনডিএ-কে সমর্থনের আবেদন জানাবেন। নিয়ম অনুযায়ী একই রাজনৈতিক দলে দুটি পৃথক ব্লক হতে পারে না। পৃথক ব্লক হিসেবে যাতে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের স্বীকৃতী দেওয়া না হয় সেই আর্জি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি লিখেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই চিঠি আজ তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ স্পিকারের হাতে তুলে দেন। তারপরেই দলের বিদ্রোহী শিবিরের ২০ জন সাংসদ স্পিকার ওম বিড়লার বাড়িতে যান। ত্রিপুরার দল এনসিপিআইতে যোগ দিয়ে এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানান তাঁরা। একটি চিঠিও তুলে দেওয়া হয় স্পিকারের হাতে।

Advertisement

কয়েকদিন আগে জল্পনা ছড়িয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু সেই জল্পনার মাঝেই বড় চাল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের। মূলত আইনি প্যাঁচ এড়াতেই তাঁরা পৃথক দলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে এনসিপিআইয়ের পার্টি অফিস খোলা হবে বলে জানান বিদ্রোহীরা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.