ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ (TMC Account Freeze) মামলায় হাই কোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট। কালীঘাট তৃণমূল দৈনন্দিন খরচের জন্য টাকা তুলতে পারবে। তবে কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত স্পেশাল অফিসারকেই খরচের হিসাব দিতে হবে। ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের তরফে আপত্তি জানানো হয়। তবে তা খারিজ করে হাই কোর্টের রায়ই বহাল রেখেছে দেশের শীর্ষ আদালত।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে চারপতি এম এম সুন্দরেশ ও বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলাটি ওঠে। সেখানে ৯ জুলাইয়ের কলকাতা হাই কোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্ট ব্যালান্স নির্দেশ দিয়েছে। হাই কোর্ট নিযুক্ত স্পেশাল অফিসারকেই খরচের হিসাব দিতে হবে। তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন।
আদালতের নির্দেশ যেমন কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষে যায়নি। তেমনভাবেই ঋতব্রত শিবিরের আবেদনও খারিজ করেছে আদালত। ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের তরফে আপত্তি জানিয়ে বলা হয়, কারা আসল তৃণমূল সেটাই এখনও পরিষ্কার নয়। নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে। তাদের দাবি, এক বিমান সংস্থাকে টাকা দিতে লেনদেনের অনুমতি চাওয়া হচ্ছে। সেই সংস্থার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে। তাছাড়া দৈনন্দিন খরচ চালাতে তিনটে একাউন্টের এক্সেস কেন চাই? যে কোনও একটা হলেই তো হয়। কটা একাউন্ট আছে, তাতে কত ব্যালেন্স, কিছুই তো জানায়নি। সেগুলো তো জানাতে হবে। নির্বাচনের পরে ২০ দিনে ৩৬০ কোটি টাকা ঢুকেছে বলেও দাবি করে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতির বিরোধিতা করে ঋতশিবির। তবে সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করেনি।
উল্লেখ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় হাই কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুব্রত তালুকদারকে স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করে কালীঘাট তৃণমূলকে টাকা তোলার অনুমতি দেয়। প্রতিদিনের খরচের হিসাব আদালতকে জানাতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতাপন্থীরা। সেই মামলার একাধিকবার শুনানির পর হাই কোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বইয়ের ধস! ঘুমের মধ্যেই চাপা পড়ে মৃত ২, এখনও ধ্বংসস্তূপে আটকে বহু
-
বেহাল রাস্তা, ভারী বৃষ্টিতে দুর্ভোগ গাড়ি-বাইক চালকদের! সমাধানে ১৮ কোটি বরাদ্দ রাজ্যের
-
শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণাবর্ত, দুর্যোগে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গ! ভাসবে কলকাতাও?
-
বিলুপ্তপ্রায় লার গিবন পোষ্য! রিলস পোস্ট করতেই বিতর্কে বিক্রম, পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
একাই বড় করেছিলেন ৪ সন্তানকে, বাবাকে শেষ দেখার সময় হল না কারও, ফোনেই চাইলেন ডেথ সার্টিফিকেট!