অরবিন্দ লিম্বাভলি

‘ভুয়ো’ সমকামী সেক্স ভিডিওর শিকার! বিধানসভায় কেঁদে ভাসালেন বিজেপি বিধায়ক

কর্ণাটকে নতুন নাটক!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৯, ১৪:২১

options
link
‘ভুয়ো’ সমকামী সেক্স ভিডিওর শিকার! বিধানসভায় কেঁদে ভাসালেন বিজেপি বিধায়ক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্ণাটকে নতুন নাটক! ভরা বিধানসভায় কেঁদে ভাসালেন কর্ণাটকের বিধায়ক অরবিন্দ লিম্বাভলি। তবে আস্থা-অনাস্থা ইস্যুতে নয়। ‘সেক্স টেপ’ বিতর্কে জড়ানোর কারণেই কেঁদে ফেললেন তিনি। বিধায়কের দাবি তিনি ‘ভুয়ো সমকামী সেক্স ভিডিও’-র শিকার হয়েছেন। অরবিন্দ লিম্বাভলি কর্ণাটকের মহাদেবপুরার বিজেপি বিধায়ক। কিছুদিন আগে তাঁর একটি সমকামী সেক্স টেপ ফাঁস হয়। মুহূর্তে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। গত ১০ দিন এটি নেটিজেনদের অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এনিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগও জানিয়েছেন বিধায়ক।

Advertisement

এদিন সেই প্রসঙ্গে লিম্বাভলি জানান, যখন কোনও ঘটনার সঙ্গে কারওর পরিবার মানসিকভাবে জড়িয়ে যায়, সেই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করা কষ্টকর। এখন তাঁর সঙ্গে সেটাই হচ্ছে। সেই ‘ভুয়ো সেক্স ভিডিও’র কারণে তাঁর ছেলেমেয়েরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। ভিডিওটি অশালীন ও মানহানিকর বলেও জানান লিম্বাভলি। বিধায়কের অভিযোগ, এসবই বিরোধীদের ষড়যন্ত্র। তাঁর মতে, রাজ্যের শাসকগোষ্ঠী কংগ্রেস-জেডিএসের পরিকল্পনাতেই গোটা ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। তাই বলে নিজের দলকেও নির্দোষের ছাড়পত্র দেননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা দলের অন্দরে যাঁরা তাঁর উপর বিরূপ, তাঁরাও এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। সম্পূর্ণ ব্যাপারটি তদন্ত করে দেখা হোক বলে বিধানসভায় অনুরোধ জানান লিম্বাভলি।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে কি ট্রাম্পকে বেশি বিশ্বাস করেন?’, বিরোধীদের বেনজির তোপ নায়ডুর ]

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, লিম্বাভলির সহকারী গিরীশ ভরদ্বাজ ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে একটি অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, শুদ্ধি সমাচার ও এসআর শ্রীনিবাস গুব্বির পাতা থেকে এটি ফেসবুকে আপলোড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে আস্থা ভোট নিয়ে উত্তাল কর্ণাটক বিধানসভা। পরিস্থিত এতটাই বেগতিক, যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী ইস্তফা দিতে পারেন বলেও ছড়িয়েছে খবর। কিন্তু নাটকের শেষ অঙ্ক নিয়ে এখনও ধন্দে সব রাজনৈতিক দল। নিত্যদিন একই পর্বের পুনরাবৃত্তি চলছে। বিধায়করা আসছেন, অধিবেশন শুরু হচ্ছে৷ বিজেপি দাবি করছে, অনাস্থা প্রস্তাবে ভোটাভুটি করতে হবে৷ সরকারপক্ষ দাবি করছে, আরও সময় প্রয়োজন। শেষবেলায় হই-হট্টগোলের মধ্যে ভোটাভুটি আর সম্ভব হচ্ছে না। স্পিকার আর কে রমেশও খানিকটা গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ। তবে আজ সন্ধে ৬টা পর্যন্ত সময়সীমা ঠিক করেছেন স্পিকার। এর মধ্যেই শেষ করতে হবে ভোটাভুটি।

[ আরও পড়ুন: চন্দ্রযান-২ অবতরণের শেষ ধাপের ১৫ মিনিট নিয়ে আতঙ্কিত ইসরো ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.