পরীক্ষার হলে ঢোকার মুখে কানের দুল বা গয়না, এমনকী হাতের নোয়া খোলানো নতুন কিছু নয়। সেটার যৌক্তিক কারণও রয়েছে। কিন্তু এবার কর্নাটকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে পরীক্ষার্থীদের পৈতেও খুলতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠল। পরীক্ষার্থীতে হাতে বাঁধা সুতোও খুলতে বলা হয়। বেঙ্গালুরুর একটি কলেজে কমন এন্ট্রান্স টেস্ট বা সিইটি পরীক্ষার প্রথম দিনে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, কর্নাটকের করমঙ্গলা কলেজের অধ্যাপকরা পাঁচজন ব্রাহ্মণ পড়ুয়াকে পৈতে খুলতে বাধ্য করেন। শুধু তাই নয়, অনেক পড়ুয়ার হাতে থাকা লাল-হলুদ পবিত্র সুতোও কেটে ফেলা হয়। পড়ুয়াদের প্রশ্ন, “কানের দুল খুলতে বলা হয়, সেটার কারণ আছে আমরা জানি। মেটাল বা ধাতু নিয়ে ঢোকা নিষেধ যায় না। কিন্তু কেন আমাকে পৈতে খুলতে বাধ্য করা হল, সেটা বুঝলাম না।” নিরুপায় হয়ে ওই পড়ুয়ারা বাধ্য হন পৈতে খুলতে।
এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ভিড় জমান অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, পৈতে খোলার বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশিকা ছিল না। গত বছরও এই ধরনের বিতর্ক হয়। সেসময় সরকার নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়ে দেয়, পরীক্ষার হলে উপবীত বা পৈতে খোলানোর কোনও প্রয়োজন নেই। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযুক্ত তিন অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টার দায়ে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।
যদিও এই ঘটনায় রাজনৈতিক দায় গিয়ে পড়ছে সেই কংগ্রেসের উপরই। কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারকে ‘হিন্দু-বিরোধী’ বলে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক এই ইস্যুতে সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। পালটা কর্নাটকের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী এমসি সুধাকর এই ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে দোষীদের কড়া শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
১৯৯০ থেকে বেপাত্তা সেনা জওয়ান স্বামী, ৩৬ বছর পর অপহরণের অভিযোগ দায়ের স্ত্রীর!
-
ফের ইন্ডিগোর বিমানে বিপত্তি, এবার বেঙ্গালুরুতে অবতরণের সময় লেজে আঘাত! কেমন আছেন যাত্রীরা?
-
আপাতত স্থগিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, বৈঠকে রফাসূত্র মিলতেই ঘোষণা কর্মী সংগঠনের, স্বস্তিতে আমজনতা
-
আরটিআইয়ের বাইরে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, নির্দেশিকা জারি করেও বাতিল, বিরোধিতার মুখে পিছু হটলেন বিজয়
-
দর্শকদের না-পসন্দ! এবার ‘বিস বস বাংলা’ থেকে ছিটকে গেলেন তাপসকন্যা সোহিনী