নেপালে উদ্ধার হয়েছে খান স্যারের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ রোশন স্যারের ভাই প্রিন্সের দেহ। শনিবারই জানা গিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর কথা। আর সেই মৃত্যু ঘিরে ক্রমেই রহস্য ঘনাচ্ছে। সূত্রের খবর, মৃতের চোখের উপরদিকে এবং দেহের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে এখনও মেলেনি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। যা হাতে পেলে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে জেলবন্দি রোশনের অভিযোগ, এই খুন করিয়েছেন খান স্যারই!
আরও পড়ুন:
জ্ঞানবিন্দু অ্যাকাডেমির প্রধান রোশন আনন্দের ভাইর প্রিন্স যাদব। গত ২ জুন মুসসলপুরে খান গ্লোবাল স্টুডিওয় ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আর এবার নেপালের বিরাটনগরে মিলল তাঁরই দেহ। পাটনা পুলিশ নেপাল পুলিশের সঙ্গে মিলে এই হত্যারহস্যের তদন্ত চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে, নেপালের শুভ হোটেলে তিনি উঠেছিলেন। শনিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আচমকাই তিনি অসুস্থতা অনুভব করলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সাড়ে এগারোটা নাগাদ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ৩ জুন তিনি নেপালে আসেন বলে জানা গিয়েছে।
পাটনায় গত পাঁচ ছ’বছর ধরে খান স্যার এবং রোশন স্যারের কোচিং সেন্টারের মধ্যে সংঘাত চলছে। ২০২১ সালেও খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সময় কোচিং সেন্টারে ভাঙচুর চালান প্রিন্স। গত ২ জুন ফের সংঘর্ষে জড়ায় দু’পক্ষ।
অভিযোগ, অশান্তির সময়ে খান স্যারের কোচিং-এ গুলি চলে। আহত হন এক নিরাপত্তারক্ষী। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শয়ে শয়ে পড়ুয়া রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। গ্রেপ্তার হন রোশন। এই হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রিন্সও। কীভাবে ছয় বন্ধুর সঙ্গে নেপালে গিয়ে তিনি প্রাণ হারালেন, সেসম্পর্কে কোনও আঁচ মিলছে না। এদিকে জানা যাচ্ছে, তাঁর চোখ-সহ শরীরের নানা অংশে রয়েছে আঘাতের চিহ্ন! স্বাভাবিক ভাবেই রহস্য ঘনাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বন্ধুর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নৌকাবিহারে রাহুল গান্ধী! ‘এরা কারা রাহুলজি?’ খোঁচা গিরিরাজের
-
শুধু কঙ্গোয় ২০০০ জনের মৃত্যু! রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে মারণ ইবোলা, সতর্ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
-
বেনোজল-দুর্নীতি রুখতে নিচুস্তরে খোলনলচে বদল, ১২ জেলা সভাপতিকে সরাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি!
-
‘ইতিহাস ওঁকে সম্মানের সঙ্গে মনে রাখবে’, কয়লা কাণ্ডে ‘কলঙ্কমুক্ত’ মনমোহনকে নিয়ে আবেগী সোনিয়া
-
লক্ষ্য বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা, এবার সল্টলেক-নিউটাউন-রাজারহাটেও চলবে ট্রাম! শুরু সমীক্ষা