Lok Sabha 2024

বেসরকারিকরণের ফলে বিজেপির নিয়ন্ত্রণে সৈনিক স্কুলও! তোপ খাড়গের, কেন্দ্র বলল, ‘বিভ্রান্তিকর’

দেশের ৬২ শতাংশে সৈনিক স্কুলের মালিকানা আরএসএস এবং বিজেপি নেতাদের হাতে, অভিযোগ কংগ্রেসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৪, ১১:২৫

options
link
বেসরকারিকরণের ফলে বিজেপির নিয়ন্ত্রণে সৈনিক স্কুলও! তোপ খাড়গের, কেন্দ্র বলল, ‘বিভ্রান্তিকর’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৈনিক স্কুলেরও বেসরকারিকরণ করছে কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, বেসরকারিকরণের মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ সৈনিক স্কুলের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে বিজেপির (BJP) হাতে। বিস্ফোরক দাবি করলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। ভোটের মুখে যা অস্বস্তিতে ফেলতে পারে বিজেপিকে। যদিও কেন্দ্রের তরফে ইতিমধ্যেই বিবৃতি জারি করে কংগ্রেসের ওই অভিযোগকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকারের আমলে বেসরকারিকরণের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। রেল থেকে বিমান, কয়লা থেকে এলআইসি, সবেতেই বিকেন্দ্রীকরণের পথে হেঁটেছে এই সরকার। এমনকী সেনার অধীনে থাকা সৈনিক স্কুলও ব্যতিক্রম হয়নি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে দেশে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সৈনিক স্কুল তৈরি হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: চিনের সঙ্গে সমস্যা মেটানোর বার্তা, মার্কিন সাক্ষাৎকারে অরুণাচল নিয়ে ‘নীরব’ মোদি]

সম্প্রতি এক আরটিআইয়ের ভিত্তিতে এক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, এ পর্যন্ত দেশে যে সব সৈনিক স্কুল পিপিপি মডেলে তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে ৬২ শতাংশের মালিকানা চলে গিয়েছে বিজেপি বা আরএসএস নেতাদের হাতে। ওই রিপোর্ট হাতিয়ার করে বুধবার খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি লিখে কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে দাবি করলেন, কেন্দ্রকে এই পুরো বেসরকারিকরণের প্রক্রিয়া প্রত্যাহার করতে হবে। খাড়গের বক্তব্য, ভারতে বরাবর সেনা এবং সেনার সঙ্গে যুক্ত সব সংস্থাকে রাজনীতির আঙিনা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। এই সরকার সেই রীতিও ভঙ্গ করল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রামের ছবি বুকে আঁকড়ে প্রচার অরুণ গোভিলের, শুনতে হল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান]

যদিও খাড়গের এই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পরই নড়েচড়ে বসে কেন্দ্র। প্রতিরক্ষামন্ত্রক এক বিবৃতি দিয়ে দাবি করল, কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা কার হাতে যাবে, সেটা বেছে নেওয়ার জন্য কোনওভাবেই রাজনৈতিক মতাদর্শকে শর্ত হিসাবে ধরা হবে না। এভাবে এই প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা সন্দেহপ্রকাশ করা, সবটাই বিভ্রান্তিকর।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.