'সুপ্রিম' সওয়াল মমতার
Mamata Banerjee

এআই দিয়ে হাজার হাজার নাম বাদ! এবার রহস্যময়ী সীমা খান্নাকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতাও

মমতা বলেন, "এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। বিজেপির আইটি সেলের।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:২৮

options
link
এআই দিয়ে হাজার হাজার নাম বাদ! এবার রহস্যময়ী সীমা খান্নাকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতাও

আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) মুখে শোনা গিয়েছিল সীমা খান্নার নাম। নির্বাচন সদনের বাইরে সাংবাদিক বৈঠকে এবার রহস্যময়ী সীমা খান্নাকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, “এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। বিজেপির আইটি সেলের।” এরপরই তিনি বলেন, “কমিশন কোনও প্রশ্ন করেননি।”

Advertisement

ডিসেম্বরের শেষদিকে সীমা খান্নার (Seema Khanna) নাম শোনা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। তৃণমূল সেনাপতি তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। জানা গিয়েছিল, কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি শাখার ডিআইজি পদে রয়েছেন সীমা। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে প্রস্তুতি চলাকালীন বাংলায় এসেওছিলেন তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে সেই সীমার বিরুদ্ধে কার্যত এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপির তুলে অভিষেক বলেছিলেন, “একটা স্ক্রিনশট আমরা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেব। (সীমার উদ্দেশে) কার অঙ্গলুহেলনে উনি এ সব করছেন? উনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, কমিশনের অ্যাপে গোলযোগ আছে।” 

Advertisement

এবার দিল্লিতে মমতার মুখে শোনা গেল সেই সীমা খান্নার নাম। বলেন, “এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। বিজেপির আইটি সেলের।” এরপরই তিনি বলেন, “কমিশন কোনও প্রশ্ন করেননি।” অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) এদিন দাবি করলেন যে বিজেপির নির্দেশ মতোই কাজ করছেন সীমা খান্না।

Advertisement

“এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। বিজেপির আইটি সেলের।”

কে এই সীমা? জানা গিয়েছে, পাটনার নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে স্নাতক পাশ করেন সীমা। তারপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান দিল্লির একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। মাস্টার ডিগ্রি অর্জনের পর দিল্লি আইআইটি থেকে পিএইচডি করেন। ২০২১ সালে সীমাকে জাতীয় তথ্যকেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল হিসাবে নিয়োগ করে মোদি সরকার। দীর্ঘদিন বিভিন্ন সংস্থায় তথ্য এবং সংযোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে কাজ করেছেন সীমা। কোভিড পর্বে কেন্দ্রীয় সরকার ‘আরোগ্য সেতু’ অ্যাপ তৈরি করেছিলেন এই সীমাই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.