Andhra Pradesh

প্রেম করবে কেন? মেয়েকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে জ্বালিয়ে দিলেন বাবা!

বাবার আপত্তি সত্ত্বেও যুবকের সঙ্গে প্রেম ভাঙেননি তরুণী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৫, ১৭:১২

options
link
প্রেম করবে কেন? মেয়েকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে জ্বালিয়ে দিলেন বাবা!
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কষ্ট করে মেয়েকে পড়াশোনা শেখাচ্ছিলেন। সন্তানকে নিয়ে দু’চোখে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু মেয়ে তাঁর কথা শোনেনি। প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল। যা মেনে নিতে পারেননি বাবা। তাই মেয়েকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গাছে ঝুলিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, খুন করার পর মেয়ের দেহ পেট্রোল ঢেলে জ্বালিয়েও দেন! ইতিমধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টাকালের। ধৃত ব্যক্তির নাম টি রমনজনেইলু। গত ১ মার্চ তিনি তাঁর কুড়ি বছরের মেয়ে ভারতীকে খুন করেন বলে অভিযোগ। গতকাল বুধবার রমনজনেইলু গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের চার মেয়ে। যার মধ্যে ছোট ছিল ভারতী। অর্থের অভাবে বাকি তিন মেয়েকে পড়াশোনা করাতে পারেননি তিনি। কিন্তু ছোট মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন। দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিল ভারতী। গত ৫ বছর ধরে সে এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশের দাবি, জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, দু’জনের সম্পর্কের কথা জানাজানি হতেই দুই পরিবারই ঘোর আপত্তি জানায়। তিনি মেয়েকে সম্পর্ক ভেঙে দিতে বলেন। কিন্তু ভারতী নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিল। প্রেমিকের জন্য মায়ের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। প্রেম নিয়ে বেশি কিছু বললে আত্মহত্যার হুমকি দিত। তাই এই চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য হন তিনি। ১ মার্চ মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেশ অনেকটা দূরে অনন্তপুরে নিয়ে যান। সেখানকার এক নির্জন জায়গায় মেয়ের গলায় ফাঁস লাগিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। তারপর মেয়ের দেহ পেট্রেল ঢেলে পুড়িয়েও দেন। এই নৃশংস ঘটনার তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.