Ayushman Bharat

বকেয়া ১.২১ লক্ষ কোটি, আগ্রহ হারাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল! প্রশ্নের মুখে মোদির আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

বাস্তব বলছে, মোটে ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে চিকিৎসার খরচ পাওয়া যাচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৫, ০৯:২৫

options
link
বকেয়া ১.২১ লক্ষ কোটি, আগ্রহ হারাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল! প্রশ্নের মুখে মোদির আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রকল্প। ঘটা করে গোটা দেশের সব নাগরিককে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার প্রচারও করেছেন তিনি নিজেই। অথচ সেই প্রকল্পেই চরম অব্যবস্থা। কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে বকেয়ার পরিমাণ ১.২১ লক্ষ কোটি টাকা! অন্তত চিকিৎসক সংগঠন আইএমএর তেমনটাই দাবি।

Advertisement

ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বলছে, গোটা দেশে এখনও পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে ১.২১ লক্ষ কোটি টাকার বকেয়া মেটায়নি কেন্দ্র। অথচ এই বকেয়া মেটানোর কথা ছিল চিকিৎসা হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে। বাস্তব বলছে, মোটে ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে চিকিৎসার খরচ পাওয়া যাচ্ছে। বাকি টাকা পেতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৬৭ লক্ষ রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পরও টাকা পায়নি হাসপাতালগুলি। আইএমএ বলছে, কেন্দ্রের গয়ংগচ্ছ মনোভাবের ফলেই বেসরকারি হাসপাতালগুলি এই প্রকল্পে আগ্রহ হারাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রিপোর্ট বলছে, প্রতি বছর আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে নথিভুক্ত হাসপাতালের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমছে। সরকারের গা ছাড়া মানসিকতাই এর জন্য দায়ী। একে তো চিকিৎসার খরচ যা তার তুলনায় অত্যন্ত কম দর দিচ্ছে কেন্দ্র, অন্যদিকে সেই টাকা মেটাতেও অস্বাভাবিক দেরি করা হচ্ছে সরকারের তরফে। যার জেরে সাধারণ মানুষকে এই প্রকল্পের সুবিধা দিতে সমস্যার মুখে পড়ছে তারা। ফল, ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে এই প্রকল্পে নথিভুক্ত হাসপাতালের সংখ্যা।

Advertisement

উল্লেখ্য, বাংলার স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অনুকরণে ২০১৮ সালে দেশজুড়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যার মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পান গ্রাহক। এ পর্যন্ত দেশে মোট ৪১ কোটি আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তৈরি হয়েছে। তবে প্রকল্পের সুবিধা পেতে রয়েছে কঠোর শর্ত যার জেরে চাইলেও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন বহু গরিব মানুষ। অন্যদিকে, বাংলায় বিশেষ সুবিধাভোগী সরকারি চাকুরিজীবী ছাড়া যে কেউ স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.