Meerut

পরকীয়ার ছোবল! ২০ লক্ষের বিমার লোভে ঘরে বিষধর সাপ ঢুকিয়ে স্বামীকে খুন স্ত্রীর

তদন্তকারীরা জানান, দামিনী প্রথমে অতুলকে কোনও চেতনানাশক খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেন। এরপর তাঁর কম্বলের মধ্যে একটি বিষাক্ত সাপ ছেড়ে দেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ২৩:২৯

options
link
পরকীয়ার ছোবল! ২০ লক্ষের বিমার লোভে ঘরে বিষধর সাপ ঢুকিয়ে স্বামীকে খুন স্ত্রীর
পরকীয়ার ছোবল! ২০ লক্ষের বিমার লোভে ঘরে বিষধর সাপ ঢুকিয়ে স্বামীকে খুন স্ত্রীর

স্বামীর গায়ে সাপ ছেড়ে দিয়ে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল স্ত্রীয়ের বিরুদ্ধে। প্রেমিকের সঙ্গে একেবারে হাত মিলিয়ে হাড়হিম এই ঘটনা ওই মহিলা ঘটান বলে অভিযোগ। আপাত দৃষ্টিতে পুরো ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও ফোনে থাকা সাপের ছবিই সমস্ত কিছু ফাঁস করে দেয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের মিরাটে। ইতিমধ্যে ঘটনায় অভিযুক্ত ওই এবং তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কেন এই খুনের ঘটনা তা জানতে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে দুজনকে। জানা গিয়েছে, স্বামীর মৃত্যুকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখিয়ে ২০ লাখ টাকার জীবন বীমার টাকা পেতেই এভাবেই খুনের ছক সাজানো হয়েছিল।

Advertisement

মিরাটের এসএসপি অবিনাশ পান্ডে বলেন, “দামিনী ও অতুলের সাত বছর আগে বিয়ে হয়। তিন মাস আগে তাঁরা একটি প্লে-স্কুল চালু করেছিলেন। এর কিছুদিন পরেই তুষারকে স্কুলের ভ্যান চালক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।” 

পুলিশ জানিয়েছে, দামিনী পাওয়ার নামে অভিযুক্ত ওই মহিলা তাঁর প্রেমিক তুষার কুমারের সঙ্গে মিলে স্বামী অতুল পাওয়ারকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, দামিনী প্রথমে অতুলকে কোনও চেতনানাশক খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেন। এরপর তাঁর কম্বলের মধ্যে একটি বিষাক্ত সাপ ছেড়ে দেন। সাপটির কামড়ে অতুলের মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় দামিনী তাঁদের ছয় বছরের সন্তানকে নিয়ে অন্য একটি ঘরে চলে গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, ধৃত ওই মহিলা প্রথমে তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে তিনি ঘরে ফিরে অতুলকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। এরপরই বিছানায় একটি সাপ দেখে তিনি চিৎকার করে লোক জড়ো করেন। অতুলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতর থাকা সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

Advertisement

মিরাটের এসএসপি অবিনাশ পান্ডে বলেন, “দামিনী ও অতুলের সাত বছর আগে বিয়ে হয়। তিন মাস আগে তাঁরা একটি প্লে-স্কুল চালু করেছিলেন। এর কিছুদিন পরেই তুষারকে স্কুলের ভ্যান চালক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তদন্ত দামিনী ও তুষারের মধ্যে ঘন ঘন ফোনালাপের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।” ওই পুলিশ কর্তার কথায়, তল্লাশিতে তুষারের ফোনে একটি বাক্সের ভেতরে রাখা সাপের ছবি পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে দুজনেই খুনের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেন। এমনকী বিমার বিপুল টাকা পেতেই যে এই খুনের ষড়যন্ত্র তাও দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন বলে খবর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.