Kangana Ranaut

‘প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে পারত সোনম’, মেঘালয় হত্যাকাণ্ডে স্তম্ভিত কঙ্গনা

'বোকা লোকেদের কখনও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়', সতর্কবার্তা কঙ্গনার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৫, ১৭:১০

options
link
‘প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে পারত সোনম’, মেঘালয় হত্যাকাণ্ডে স্তম্ভিত কঙ্গনা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিলংয়ে হানিমুনে গিয়ে স্বামীকে হত্যার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। এই ইস্যুতেই এবার সরব হলেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে কঙ্গনার পরামর্শ, ‘অভিযুক্ত মহিলা স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দিতে পারতেন, কিংবা প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে পারতেন।’

Advertisement

এদিন ইনস্টাগ্রামে কঙ্গনা লেখেন, ‘ওই মহিলা পরিবারের ভয়ে বিয়েতে না বলতে পারেননি, অথচ ভাড়াটে খুনিদের কাজে লাগিয়ে নিজের স্বামীকে হত্যা করালেন। সকাল থেকে বিষয়টি আমার মাথায় ঘুরছে। আমি বুজতে পারছি না। উনি ডিভোর্স নিতে পারতেন বা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু তা না করে খুনের পরিকল্পনা করেন। মুর্খ বা বোকা লোকেদের কখনও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এরা সমাজের জন্য হুমকি। আমরা তাঁদের নিয়ে হাসাহাসি করি ঠিকই, কিন্তু তা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। এদের হালকাভাবে নেবেন না।’ একইসঙ্গে লেখেন, ‘বুদ্ধিমান লোকেরা নিজেদের সুবিধার জন্য অন্যের ক্ষতি করেন, কিন্তু বোকারা নিজেরাই জানে না তারা ঠিক কী করছে। এই ধরনের লোকেরা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।’

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ২০ মে মধুচন্দ্রিমায় মেঘালয়ে (Meghalaya Honeymoon Murder) ঘুরতে যান নবদম্পতি রাজা রঘুবংশী ও সোনম। ২৩ মে চেরাপুঞ্জিতে পৌঁছনোর পর নিখোঁজ হয়ে যান দম্পতি। এই ঘটনার ১১ দিন পর জলপ্রপাতের খাদ থেকে উদ্ধার হয় রাজার দেহ। তবে খোঁজ মেলেনি সোনমের। এরই মাঝে সোমবার গাজিপুর থেকে নিজের বাড়িতে ফোন করেন সোনম। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। সেখানে সোনমের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisement

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সোনম জানিয়েছেন, বিয়ের আগে থেকেই স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারীদের দাবি, বিয়ের তিনদিন পরই প্রেমিক রাজের সঙ্গে মিলে স্বামী রাজাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন সোনম। সেই মতোই সুপারি কিলার ভাড়া করা হয়। এদিকে রাজার পরিবারের তরফে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। গত ২ জুন ইন্দোরে রাজা রঘুবংশীর শেষকৃত্যে নাকি অংশ নিয়েছিলেন রাজও! সঙ্গে এনেছিলেন আরও কয়েকজনকে। এমনকী রাজার বাবাকে সান্ত্বনা দিতেও নাকি দেখা যায় রাজকে। পরে ক্যামেরায় সেই দৃশ্যও ধরা পড়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে সোনমের প্রেমিক রাজ কুশওয়াহা-সহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মেঘালয় পুলিশ গত রাতে সকল অভিযুক্তকে পাটনা নিয়ে আসে। সেখান থেকে কলকাতা হয়ে বিমানে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শিলং।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.