সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবছর অস্বাভাবিক গরম পড়বে। আগেভাগেই সতর্ক করে দিল মৌসম ভবন। মার্চ মাস থেকেই অনুভূত হবে গ্রীষ্মের দহন। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গোটা দেশের প্রায় অর্ধেক অংশেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বাড়বে এবছর।
আবহাওয়ার এই ব্যাপক পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যাবে উত্তর ভারতে। দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাবে তাপমাত্রা এবছর স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১.৫ ডিগ্রি বেশি থাকবে। উদ্বেগের বিষয় হল, এবছর উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশে সবচেয়ে বেশি পারদ চড়বে। ওই দুই রাজ্যে এবছর স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা ২.৩ ডিগ্রি বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মৌসম ভবনের কর্তারা।
[ফের কাশ্মীরে সেনা-জঙ্গি এনকাউন্টার, খতম ১ জঙ্গি]
বুধবার মৌসম ভবন গ্রীষ্মকালীন পূর্বাভাসে জানিয়েছে, মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে দেশের প্রায় ৫২% অংশে তাপমাত্রা খুব বেশি থাকবে। বইবে লু। দেশের ‘কোর হিট জোন’ উত্তর ভারতে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হবে। এ রাজ্যেও অনুভূত হবে প্রবল গরম। সেই সঙ্গে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, তেলেঙ্গানাতেও ব্যাপক গরম পড়বে। তবে এই সতর্কবার্তার মধ্যেই সুখবরও দিচ্ছে মৌসম ভবন। জানাচ্ছে, গ্রীষ্ম চরম রূপ নিলে বর্ষাও আসবে স্বাভাবিক সময়ে। আর বৃষ্টিপাত হবেও পর্যাপ্ত।
মৌসম বিভাগ জানিয়েছে, শুধুমাত্র দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি রাজ্য ও উত্তর-পূর্ব ভারতের চারটি রাজ্যে আবহাওয়ার এই ব্যাপক পরিবর্তন অনুভূত হবে না। তামিলনাড়ু, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরাতে এবছর তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি বাড়বে না। মৌসম ভবনের অধিকর্তা ডি শিবানন্দ পাল বলছেন, ‘মার্চ-মে মাসের এই প্রবল গরমের অন্যতম কারণ গ্লোবাল ওয়ার্মিং। সম্প্রতি বিশ্বজুড়েই আবহাওয়ার চরিত্র পালটাচ্ছে। বাড়ছে গরম। এবছরও তার অন্যথা হবে না।’
[লজেন্সের লোভ দেখিয়ে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ কিশোরের]
সর্বশেষ খবর
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘গাজা যুদ্ধ শেষ হোক চাননি নেতানিয়াহু, বন্দি মুক্তিতেও আগ্রহ ছিল না’, বিস্ফোরক প্রাক্তন সেনাকর্তা
-
জলে গেল রাহুলের সেঞ্চুরি, ‘নিয়মরক্ষা’র ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হার ভারতের
-
Exclusive: ভাঙা তো দূর, নন্দীগ্রামে সামান্য চোটও পাননি মমতা! প্রকাশ্যে ২১-এর রিপোর্ট
-
জাহ্নবীর সঙ্গে গানের দৃশ্য বিকৃত! আইনি পথে জুনিয়র এনটিআর, বিজয় বললেন, ‘ডিজিটালি যৌন নিগ্রহ’