Mohan Bhagwat

হিংসা জর্জর মণিপুর সফরে মোহন ভাগবত, সংঘ প্রধানের বার্তার দিকে তাকিয়ে রাজ্য

সংঘপ্রধান শেষবার ২০২২ সালে মণিপুর সফরে আসেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৮:১৪

options
link
হিংসা জর্জর মণিপুর সফরে মোহন ভাগবত, সংঘ প্রধানের বার্তার দিকে তাকিয়ে রাজ্য
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু’বছর ধরে সংঘর্ষের আগুনে পুড়ছে মণিপুর। ঘরছাড়া বহু মানুষ। এর মাঝে মাত্র একবার সে রাজ্যে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার মণিপুর সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ২০ নভেম্বর মণিপুরে যাচ্ছেন সংঘ প্রধান। মনিপুরে আরএসএস-এর সভাপতি তরুণ কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে ভাগবত রাজ্য সফরে আসছেন। তিনদিনের সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। এই সফরে রাজ্যের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উদ্যোগপতি এবং বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি। 

Advertisement

শর্মা জানিয়েছেন, প্রথম দিন ইম্ফলের কনজেং লাইকাইয়ে একটি অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করবেন ভাগবত। এরপরে, ২১ নভেম্বর, ভাগবত মণিপুর পাহাড়ের আদিবাসী নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন। যদিও সংঘর্ষের ঘটনায় ঘরছাড়া মানুষ যে রিলিফ ক্যাম্পে রয়েছে সেখানে তিনি যাবেন না বলেই এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন শর্মা।

Advertisement

২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া মেতেই-কুকি সংঘর্ষে ২৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি, হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। কিছুদিন আগেই, দীর্ঘ বিতর্কের পর শনিবার মণিপুরে পা রাখেন মোদি। চূড়াচাঁদপুরের জনসভায় উপস্থিত হয়ে হিংসা ভুলে শান্তির আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বার্তা, ‘উন্নয়নের জন্য শান্তি জরুরি।’ উত্তর-পূর্বের রাজ্যে উন্নয়নের মেশিন চালিয়ে যেতে সংঘাত থামানোর আর্জি জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করানোর জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।”

বিজেপি-র রাজনীতির পিছনে মূল মতাদর্শগত সংস্থা আরএসএস। সংঘ প্রধান শেষবার ২০২২ সালে মণিপুর সফরে আসেন। মণিপুরের বিভিন্ন গোষ্ঠীর অভিযোগ রাজ্যের দুই বছরব্যাপী সংঘর্ষের পিছনে হাত রয়েছে আরএসএস-এর। মূলত মেতেইরা এই অভিযোগ তোলে। অন্যদিকে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় সড়ক খুলে দেয় কুকিরা। এই অবস্থায়, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সফর রাজনৈতিক ও সামাজিক উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.