সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছিল না বটে, তবে শেষ পর্যন্ত ‘আল ইজ ওয়েল’ই হয়েছে৷ গুরুগ্রামের গোটা সরকারি হাসপাতাল যখন অন্ধকারে ডুবে, মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইটে জন্ম হল শিশুটির৷ না ডাক্তার নয়, এই অসাধ্য সাধন করলেন কয়েকজন কর্তব্যরত একগুঁয়ে নার্স৷ শেষ অবধি হাল ছাড়তে যাঁরা নারাজ ছিলেন৷
গুরুগ্রামের কবিতা কুমার রবিবার ভর্তি হন সরকারি হাসপাতালটিতে৷ তখন থেকেই হাসপাতালে লোডশেডিং চলছিল৷ মোমের আলোতেই কাজ করছিলেন হাসপাতালের কর্মীরা৷ মাঝরাতে যখন কবিতার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়, ততক্ষণে তাও শেষ হয়ে গিয়েছে৷ এদিকে কোনও ডাক্তারও হাসপাতালে নেই৷
তবে ভাগ্যের ভরসায় কবিতাকে ছাড়তে নারাজ ছিলেন নার্সরা৷ তাই মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইটের আলোতেই শুরু হয় প্রসব করানোর প্রক্রিয়া৷ ২৫ মিনিট পর পুত্র সন্তানের জন্ম দেন কবিতা৷ মা ও ছেলে দু’জনের শারীরিক অবস্থাই স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে৷ হাসপাতালের নার্সদের ‘দেবী’র তকমা দিয়েছেন কবিতার স্বামী কপিল৷
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক