গণধর্ষণের পর মহিলার কপালে লেখা হল, ‘মেরা বাপ চোর হ্যায়’!

কোন অপরাধ এই শাস্তি পেতে হল তাঁকে? তাঁর অপরাধ, শ্বশুরবাড়ির লোকেদের পণ দিতে পারেননি তিনি। ২৮ বছরের মহিলার পরিবাবের কাছ থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি ৫১ হাজার টাকা পণ চেয়েছিল। কিন্তু এত বড় অঙ্কের অর্থ জোগাড় করতে ব্যর্থ হয় মহিলার পরিবার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৬, ১৯:৫৯

options
link
গণধর্ষণের পর মহিলার কপালে লেখা হল, ‘মেরা বাপ চোর হ্যায়’!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মেরা বাপ চোর হ্যায়।’ ‘দিওয়ার’ ছবির সেই বিখ্যাত উক্তি। যা অমিতাভ বচ্চনের হাতে উল্কি করে লিখে দেওয়া হয়েছিল। এবার বাস্তবের মাটিতে জোর করে মহিলার কপালে এমনই একটি ট্যাটু এঁকে দেওয়া হল। লেখা ‘মেরা বাপ চোর হ্যায়!’

Advertisement

কোন অপরাধে এই শাস্তি পেতে হল তাঁকে? তাঁর অপরাধ, শ্বশুরবাড়ির লোকেদের পণ দিতে পারেননি তিনি। ২৮ বছরের মহিলার পরিবারের কাছ থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি ৫১ হাজার টাকা পণ চেয়েছিল। কিন্তু এত বড় অঙ্কের অর্থ জোগাড় করতে ব্যর্থ হয় মহিলার পরিবার। তারপরই তাঁর উপর অমানবিক অত্যাচার শুরু হয়। রাজস্থানের আলওয়ার গ্রামের ওই নির্যাতিতা দাবি করেছেন, পণের টাকা দিতে না পারায় তাঁর স্বামী ও তার দুই ভাই মিলে মহিলাকে ধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, পানীয়তে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জোর করে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে অশালীন কথা উল্কি করে লিখে দেওয়া হয়। মাথায় লেখা ‘আমার বাবা চোর।’ এছাড়াও দেহের বিভিন্ন অংশে বেশ কিছু কুরুচিকর কথা লেখা। বাধা দিয়েও লাভ হয়নি।

Advertisement

dc-Cover-pi4eaa796hsf9mis0ln58f10n2-20160627145039.Medi

Advertisement

অত্যাচার সহ্যের সীমা ছাড়ালে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায় নির্যাতিতার পরিবার। এই ঘটনার পর থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকে ওই মহিলা। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শরীর থেকে উল্কিগুলো মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন মহিলার বাবা-মা। কিন্তু হাতের উল্কি এখনও রয়ে গিয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ (মহিলার উপর পারিবারিক নিগ্রহ), ৩৭৬ (ধর্ষণ) ও ৪০৬ (বিশ্বাসঘাতকতা) নম্বর ধারায় তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে এআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.