সাধারণতন্ত্র দিবসে তাজমহলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। মুঘল আমলের এই স্মৃতিসৌধে প্রথমবার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করল হিন্দু মহাসভা, উঠল ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান। ঘটনার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। হিন্দু মহাসভার অবশ্য দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ মেনেই এই পদক্ষেপ করেছে তাঁরা।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে তাজমহলের নিরাপত্তা ভেঙে সেখানে ঢুকে পড়েন হিন্দু মহাসভার বেশ কয়েকজন সদস্য। অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার তরফে জানানো হয়েছে, তাজমহলে এদিন পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের দুই নেতা নন্দু কুমার ও নীতেশ ভরদ্বাজ। পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশাল কুমার, মীরা রাঠোরের মতো নেতৃত্বরা। সংগঠনের দাবি, ১৬৩২ সালে তাজমহল নির্মাণের পর এই প্রথম সেখানে কোনও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল। পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি সেখানে জাতীয় সঙ্গীতও বাজানো হয়। হিন্দু মহাসভার তরফে জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আহ্বানকে মান্যতা দিয়েই এই পদক্ষেপ করেছেন তাঁরা।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নির্দেশ দিয়েছিলেন দেশের সব মাদ্রাসা ও মসজিদে যেন জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। যোগীর সেই আবেদনকে মান্যতা দিয়েই তাজমহলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হিন্দু মহাসভার দাবি, তাঁদের এই উদ্যোগ দেশপ্রেমের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে।
উল্লেখ্য, তাজমহলকে হিন্দুদের স্থাপত্য বলে দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে হিন্দু মহাসভা। তাজমহল নয়, এই স্থাপত্যকে ‘তেজো মহালয়’ বলে দাবি করে তাঁরা। তাজমহল কমপ্লেক্সের ভেতরে এর আগেও নামাজ পড়া, হনুমান চালিশা পাঠ করা এবং গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের মতো বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার সিআইএসএফ-এর নিরাপত্তা টপকে এই ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য