National parties

অজানা উৎস থেকে রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে ঢুকেছে কোটি কোটি টাকা, শীর্ষে কংগ্রেস

দেড় দশকে অজ্ঞাত উৎস থেকে দলগুলির আয় ১৫ হাজার কোটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২২, ১৪:২৫

options
link
অজানা উৎস থেকে রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে ঢুকেছে কোটি কোটি টাকা, শীর্ষে কংগ্রেস

স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি : ২০০৪-০৫ থেকে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অজানা সূত্র থেকে আয়ের পরিমাণ ১৫ হাজার ৭৭.৯৭ কোটি টাকা। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (ADR)-এর এক সমীক্ষায় সামনে এল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু ২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অজ্ঞাত সূত্র থেকে আয় ৬৯০.৬৭ কোটি টাকা। জাতীয় দলগুলির অংশীদারিত্ব ৪২৬.৭৪২ কোটি টাকা। এই তালিকায় রয়েছে কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, তৃণমূল, আপের মতো রাজনৈতিক দলগুলি। 

Advertisement

এই তালিকার মগডালে বসে আছে কংগ্রেস (Congress)। আয়কর রিটার্ন ও নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা ডোনেশনের তুলনা করে যে সমীক্ষা করা হয়েছে, তাতে দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দলের ১৭৮.৭৮২ কোটি টাকার কোনও হিসাব নেই। অজানা সূত্র থেকে মোট আয়ে কংগ্রেসের ঘরেই ৪১.৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিজেপি (BJP)। এই খাতে তাদের আয়ের পরিমাণ ১০০.৫০২ কোটি টাকা। যা অন্যান্য দলের সম্মিলিত ভাগের ২৩.৫৫ শতাংশ। এছাড়াও অজানা সূত্র থেকে আয়ের তালিকায় রয়েছে তৃণমূল (TMC), সিপিএম (CPM), সিপিআই (CPI), আম আদমি পার্টি (AAP), বহুজন সমাজ পার্টি (BSP), ন্যশানাল পিপলস পার্টি (NPP)। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজারের নিচে নামল দেশের করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু ৪১ জনের]

সন্দেহতজনক আয়ের উৎসের তালিকায় ২৭টি আঞ্চলিক দলকেও রাখা হয়েছে। সেগুলির মধ্যে অন্যতম এআইএডিএমকে, এজিপি, ফরওয়ার্ড ব্লক, মিম, এআইইউডিএফ, বিজেডি, সিপিআইএমএল, ডিএমডিকে, ডিএমকে, জিএফপি, জেডিএস, জেডিইউ, জেএমএম, কেসিএম, এমএনএস, এনডিপিপি, এনপিএফ, পিএমকে, আরএলডি, এসএডি, এসডিএফ শিবসেনা, এসকেএম, টিডিপি, টিআরএস ও ওয়াইএসআর। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বদেশি প্রযুক্তিতেই বাজিমাত ভারতের! এবার তেজস যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহী আর্জেন্টিনা]

দুর্নীতি কমাতে রাজনৈতিক দলগুলির চাঁদার হিসেবনিকেশে স্বচ্ছতা প্রয়োজন বলে বহুবার আওয়াজ তুলতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi)। যদিও তা কথার কথা হয়েই থেকে গিয়েছে। যদিও আয়ের উৎসের স্বচ্ছতার বিষয়ে কাজ করতে উৎসাহ নেই অন্য রাজনৈতিক দলগুলিরও। এই বিষয়ে সকলের অবস্থান মোটের উপরে এক। নিন্দুকের বক্তব্য, সকলের তহবিলেই রয়েছে ভূতের বাসা! নয়া পরিসংখ্যানে সেটাই স্পষ্ট হল। যদিও এই বিষয়ে গেরুয়া শিবিরকে টেক্কা দিয়েছে কংগ্রেস। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.