Ladakh

লাদাখে ৮৫ শতাংশ চাকরি স্থানীয়দের জন্য সংরক্ষিত, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

লাদাখ স্বায়ত্তশাসিত পাহাড়ি উন্নয়ন পরিষদে মোট আসনের এক-তৃতীয়াংশ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৫, ১২:৩৫

options
link
লাদাখে ৮৫ শতাংশ চাকরি স্থানীয়দের জন্য সংরক্ষিত, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

বিশেষ সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার নতুন সংরক্ষণ ও ‘ডোমিসাইল’ নীতির ঘোষণা করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি চাকরির ৮৫ শতাংশ স্থানীয়দের জন্য সংরক্ষিত থাকবে এবং লাদাখ স্বায়ত্তশাসিত পাহাড়ি উন্নয়ন পরিষদে মোট আসনের এক-তৃতীয়াংশ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই পদক্ষেপটি লাদাখের স্থানীয় জনগণের ভাষা, সংস্কৃতি ও জমির সুরক্ষার দাবিকে সামনে রেখে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি।

Advertisement

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কেউ যদি ১৫ বছর ধরে লাদাখে বসবাস করেন বা সাত বছর পড়াশোনা করে দশম বা দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দেন, তা হলে তিনি এই সংরক্ষণের আওতায় পড়বেন। এ ছাড়াও, যাঁরা লাদাখের অল ইন্ডিয়া সার্ভিস, পিএসইউ, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ১০ বছর চাকরি করেছেন তাঁরাও সংরক্ষণের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। পাশাপাশি, লাদাখে ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, ভোটি এবং পুরগি ভাষাকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখকে সম্পূর্ণ আলাদা করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে লাদাখে সরকারি চাকরি বা পড়াশোনার ক্ষেত্রে যে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় আইনে, তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আইনে বলা হয়েছে, সরকারি ক্ষেত্রে লাদাখবাসী ৮৫ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন। এছাড়াও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশ ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা পাবে। গত ২ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, তাতে বলা হয়েছে, ২০০৪ সালের আইনে সংশোধনী এনেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। যেমন কোনও সরকারি পদে প্রয়োজনীয় প্রার্থী না পাওয়া গেলে তিন বছর পর্যন্ত তা ফাঁকা রাখা হবে।

Advertisement

লাদাখের অন্যান্য স্থানীয় ভাষা যেমন শিনা (দারদিক), ব্রোসকাট (দারদিক), বাল্টি এবং লাদাখির প্রচার ও বিকাশের জন্য বিশেষ চেষ্টা করা হবে। লাদাখের সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারার অধীনে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই লাদাখের মানুষ তাঁদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং মাটি রক্ষার জন্য সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.