Bihar

ভোররাতে দরজা খুলে বাবা দেখলেন দোরগোড়ায় পড়ে সদ্য বিবাহিত মেয়ের দেহ! পণপ্রথার বলি?

৮ লক্ষ টাকা পণ দেওয়ার পর আরও ৩ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলে দাবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৪:১২

options
link
ভোররাতে দরজা খুলে বাবা দেখলেন দোরগোড়ায় পড়ে সদ্য বিবাহিত মেয়ের দেহ! পণপ্রথার বলি?

সবে ফুটেছে দিনের আলো। কাকভোরে বাড়ির সদর দরজা খুলতেই হাড়হিম হয়ে গেল সকলের। দোরগোড়ায় পড়ে রয়েছে বাড়িরই সদ্যবিবাহিত মেয়ের মৃতদেহ! এমনই এক মর্মান্তিক দৃশ্যের সাক্ষী হলেন বিহারের পিড়িয়া বাজারের বাসিন্দারা। গোটা এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে এর পর থেকেই। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা গিয়েছে, রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ একটি গাড়িতে করে দেহ নিয়ে এসে নামিয়ে রাখা হয় সেখানে। তারপর থেকে, অর্থাৎ সারা রাত দেহটি সেখানেই পড়েছিল।

Advertisement

মৃতার পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত একটি কালো রঙের স্করপিও গাড়িতে এসেছিল। তারপর দেহটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় রাতের অন্ধকারেই। বাড়ির বাইরে রাখা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে পুরো দৃশ্যটি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই গাড়িটিকে শনাক্ত করা গিয়েছে। সেটি কোনও পুলিশ সাব ইনস্পেক্টরের গাড়ি বলে জানা গিয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই পুলিশ আধিকারিক আদৌ এই বিষয়ে কিছু জানতেন, নাকি তাঁর গাড়িটিতে দেহ তাঁর অজান্তেই আনা হয়েছিল তা দেখা হচ্ছে।

Advertisement

সরিতার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর গলায় শ্বাসরোধ করার চিহ্ন দেখা গিয়েছে বলে দাবি সরিতার বাবার। শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। তদন্ত চলছে।

কিন্তু কেন এমন মর্মান্তিক পরিণতি হল নববধূর? তাঁর পরিবারের দাবি, পণপ্রথার বলিই হতে হয়েছে তাঁকে। মেয়েটির বাবা জ্যোতিপ্রকাশ মাহাতো জানিয়েছেন, ৯ মাস আগে তাঁর মেয়ে সরিতার বিয়ে হয়েছিল সত্যেন্দ্র কুমার নামের এক যুবকের সঙ্গে। সাধ্যমতো পণ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এরপরও আরও পণ চেয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ৮ লক্ষ টাকা দিয়েও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরিতার বর ও শ্বশুরবাড়ির অন্যরা চাপ দিচ্ছিল আরও ৩ লক্ষ টাকার জন্য। আর সেই সঙ্গে চলছিল নববধূর উপরে নির্যাতন। শেষপর্যন্ত সেই কারণেই তাঁর মেয়েকে খুন হতে হল বলে দাবি জ্যোতিপ্রকাশের। সরিতার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর গলায় শ্বাসরোধ করার চিহ্ন দেখা গিয়েছে বলে দাবি সরিতার বাবার। শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। তদন্ত চলছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.