সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছর শেষে বিহারের রাজনীতিতে বড়সড় পরিবর্তন। ফের জনতা দল ইউনাইটেডের রাশ নিজের হাতে নিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সরিয়ে দেওয়া হল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি রাজীব রঞ্জন সিং অর্থাৎ লালন সিংকে।
সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দলের রাশ পুরোপুরি নিজের হাতে রাখতে চাইছিলেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তাছাড়া দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে যিনি ছিলেন সেই লালন সিং আবার অতিরিক্ত লালুপ্রসাদ যাদব প্রীতি দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। তাতে লোকসভার (Lok Sabha) আগে আসনরফা বা আসন বিন্যাসের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠছিল। সম্ভবত সেকারণেই সরিয়ে দেওয়া হল লালনকে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে ফের বসলেন নীতীশ কুমার। একই সঙ্গে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিও সামলাবেন তিনি।
[আরও পড়ুন: সেঞ্চুরিয়নে হারের খেসারত, WTC পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ-পাকিস্তানেরও নীচে ভারত]
শুক্রবার দিল্লিতে জেডিইউয়ের (JDU) জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে নিজেই সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেন লালন সিং। নীতীশের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তারপরই দলের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিরা ফের সভাপতি পদে নীতীশের নাম প্রস্তাব করেন। এবং তিনিই সর্বভারতীয় সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। যদিও নিন্দুকেরা বলেন সবটাই পূর্বপরিকল্পিত।
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার জন্য ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছে ইংরেজরাই, নাগপুরের সভায় একী বললেন রাহুল!]
আসলে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর নজর এই মুহূর্তে দিল্লির কুরসিতে। সেকারণে দলের অন্দরে কোনওরকম বাধা বিপত্তি রাখতে চান না তিনি। রাজধানীতে সেই ইঙ্গিতও মিলেছে এদিন। দলের বৈঠকে বারবার স্লোগান উঠেছে, ‘দেশ কা প্রধানমন্ত্রী ক্যায়সা হো, নীতীশ কুমার জ্যায়সা হো।’ “প্রদেশ নে পেহেচানা হ্যায়, দেশ ভি পেহেচানেগা।” উদ্দেশ্য পরিষ্কার, নীতীশকেই ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী রূপে তুলে ধরা।
সর্বশেষ খবর
-
গেরুয়া উত্তরীয় বনাম বোরখা, পোশাক নিয়ে বারাসত কলেজে সম্মুখ সমরে এবিভিপি-বজরং দল!
-
‘ভারতবিদ্বেষে’র হাওয়ায় প্রথম চিন সফর! কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক?
-
‘যে ইন্ডাস্ট্রিকে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা দিয়েছে…’, রণবীরকে কোণঠাসা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সুনীল
-
‘গুন্ডাদমন বিলে’ লুটের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই সরকারের লক্ষ্য! কী রয়েছে খসড়ায়
-
‘কাট’ বলার পরও উদ্দাম রোম্যান্স? কঙ্গনার কামড়ে কমেডিয়ান বীরের ঠোঁট কেটে রক্তারক্তি কাণ্ড!