Bakrid 2026

বকরি ইদে গো-হত্যা নয়, হোক নমাজ পাঠ, বিজ্ঞপ্তি জারি ইসলামিক সেন্টারের

এর আগে আজমেড় শরিফের মৌলবী সৈয়দ সারোয়ার চিস্তিও বলিদানের জন্য গো-হত্যা বন্ধ রাখার আবেদন করেছেন। তিনি গরুর জাতীয় পশুর মর্যাদার দাবিও তুলেছেন। মহালির জারি করা অ্যাডভাইসরিতে উৎসবের সময় জনজীবনে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিধি সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে জোর দিয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১৪:৫৮

options
link
বকরি ইদে গো-হত্যা নয়, হোক নমাজ পাঠ, বিজ্ঞপ্তি জারি ইসলামিক সেন্টারের
মুসলিম সম্প্রদায়কে মসজিদের ভিতরেই নমাজ পড়তে বলা হয়েছে। ফাইল ছবি।

আসন্ন বকরি ইদের (Bakrid 2026) প্রাক্কালে ১২ দফা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মুসলিম সমাজকে শান্তি বজায় রেখে, আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব পালন সুনিশ্চিত করার আবেদন জানালেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সনাল ল বোর্ডের সদস্য তথা ইসলামিক সেন্টার অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরাঙ্গি মহালি। তিনি বিশেষ করে বকরি ইদে গরু বলিদান থেকে বিরত থাকার কথা বলেছেন। মহালি বলেছেন, লখনউয়ের ইসলামিক সেন্টার অব ইন্ডিয়া ১২ দফা পরামর্শ দিয়েছে। তাতে মুসলিম সম্প্রদায়কে আইনি বিধিনিষেধ নেই, শুধুমাত্র এমন পশু কুরবানি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত গরু বলি দেওয়া উচিতই নয়, কারণ তা দেশের আইনের পরিপন্থী।

Advertisement

এর আগে আজমেড় শরিফের মৌলবী সৈয়দ সারোয়ার চিস্তিও বলিদানের জন্য গো-হত্যা বন্ধ রাখার আবেদন করেছেন। তিনি গরুর জাতীয় পশুর মর্যাদার দাবিও তুলেছেন। মহালির জারি করা অ্যাডভাইসরিতে উৎসবের সময় জনজীবনে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিধি সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে জোর দিয়েছেন। তাতে লোকজনের যাতায়াত আছে, এমন স্থানে নমাজ পাঠ এড়ানোর কথা রয়েছে। তিনি বলেছেন, বিজ্ঞপ্তিতে মুসলিম সম্প্রদায়কে ইদগা, মসজিদের ভিতরেই নমাজ পড়তে বলা হয়েছে। আর কুরবানি দেওয়ার সময় পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধির দিকে বিশেষ নজর রাখতেও বলা হয়েছে। বলি দেওয়া পশুর বর্জ্য বাইরে ফেলা চলবে না। নগর নিগম, পুরসভার আয়োজন মতো সঠিক ভাবে তা সরাতে হবে। পশুহত্যাও করতে হবে সুনির্দিষ্ট স্থানে। প্রকাশ্যে বা গলি বা রাস্তায় কুরবানি চলবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মহালি জানান, বিজ্ঞপ্তিতে মুসলিম সমাজকে বর্তমান কঠিন সময়ে দেশের মঙ্গল, সমৃদ্ধি কামনায় উৎসবের মরসুমকে প্রার্থনায় কাজে লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষা পাওয়া, দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তার জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা উচিত নমাজের পর। যে কোনও আর্থিক সঙ্কট থেকে দেশ যাতে বাঁচে, একইভাবে সেজন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা উচিত।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.