Shivraj Singh Chouhan

‘ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতীয় সংস্কৃতির মূল নয়, সমাজতন্ত্রেরও কোনও প্রয়োজন নেই’, মন্তব্য শিবরাজের

আরএসএসের সুরে সুর মিলিয়ে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল মন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৫, ১২:৩২

options
link
‘ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতীয় সংস্কৃতির মূল নয়, সমাজতন্ত্রেরও কোনও প্রয়োজন নেই’, মন্তব্য শিবরাজের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়া উচিত কিনা, এই নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে আরএসএস। এবার সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তাঁর দাবি, অবশ্যই এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। জানিয়ে দিলেন, ভারতে সমাজবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। ধর্মনিরপেক্ষতাও ভারতীয় সংস্কৃতির মূল নয়।

Advertisement

‘এমার্জেন্সি’র ৫০ বছর পূর্তিতে বারাণসীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ”ভারতে সমাজতন্ত্রের কোনও প্রয়োজন নেই। ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের সংস্কৃতির মূলও নয়। তাই এই বিষয়ে অবশ্যই আলোচনা হওয়া দরকার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, ”এমার্জেন্সির সময় ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি যোগ করা হয় ভারতীয় সংবিধানে। এগুলি সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় ছিল না। পরে এই শব্দগুলি আর সরানো হয়নি। এগুলিকে সরানো হবে কিনা তা নিয়ে অবশ্যই বিতর্ক হওয়া দরকার। এমার্জেন্সির সময় অধিকার ছিল না, ন্যায়বিচার ছিল না। সেই সময়ই এই শব্দগুলি যোগ করা হয়।” এরপরই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নাম না করে তাঁকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”যাঁরা এটা করেছিলেন (এমার্জেন্সি), তাঁরাই আজ সংবিধানের কপি নিয়ে ঘুরে বেড়ান। ওঁরা কিন্তু আজ পর্যন্ত ভারতীয় জনতার কাছে কৃত কর্মের জন্য কোনও ক্ষমা চাননি।”

Advertisement

এদিন সেই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন শিবরাজ। পাশাপাশি জরুরি অবস্থা সম্পর্কে তাঁর ক্ষোভও প্রকাশ করেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”বাহ্যিক নিরাপত্তার জন্য কোনও ভয় ছিল না। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্যও কোনও বিপদ ছিল না। একমাত্র ভয় ছিল প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে। তাই ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন রাতে, মন্ত্রিসভার কোনও বৈঠক না করেই দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.