সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ হবে৷ কিন্তু দারিদ্র্য বার বার স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ শুধুই কি দারিদ্র? ২০১৩ সালে মা মারা যান আর ২০১৫ সালে চলে যান বাবা৷ এহেন ছেলের স্বপ্নপূরণ কি আদৌ সম্ভব ছিল?
হয়তো ছিল৷ তা না হলে এমন কঠিন পরীক্ষায় এত সহজে উত্তীর্ণ হওয়া কি মুখের কথা?
ওড়িশার তফসিলি সম্প্রদায়ের নারায়ণ মল্লিক সব হারিয়েও AIIMS এন্ট্রান্সের মেধা তালিকায় ত্রয়োদশ স্থান অধিকার করেছে৷ মেডিক্যাল এন্ট্রান্সের পরীক্ষায় এমন ফলাফলে স্বভাবতই খুশি নারায়ণের আত্মীয়-স্বজন৷ খুশি সে নিজেও৷
কিন্তু এহেন কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কী করে সফল হল নারায়ণ?
লাজুক নারায়ণ জানিয়েছে, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আত্মীয়’র বাড়িতেই থাকত সে৷ প্রত্যেকেই সাহায্য করেছিলেন তাঁকে যাতে সে লেখাপড়া চালিয়ে নিয়ে যেতে পারে৷ শত সমস্যার মধ্যেও সে পরীক্ষায় পাশ করার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে৷ তার এই অধ্যবসায়েরই ফল মিলেছে এবার৷ অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর প্রবেশিকা পরীক্ষায় তফশিলি তালিকায় ত্রয়োদশ স্থান অর্জন করেছে সে৷
কিন্তু এমন আর্থিক অনটনের মধ্যে লেখাপড়া চালিয়ে যাবে কী ভাবে নারায়ণ?
জানা গিয়েছে, ওড়িশার বেরহামপুরের একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে নারায়ণের সাহায্যে৷ তার লেখাপড়ার খরচ বহনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এই সংস্থার পক্ষ থেকে৷
তবে কি স্বপ্ন সত্যি নারায়ণের?
আরও পড়তে চায় নারায়ণ৷ স্নায়ুরোগ বিষয়ে গবেষণা করতে চায় সে৷ আর তাই স্বপ্নের পথে সদ্য যাত্রা শুরু হয়েছে তার৷ ”এখনও অনেকটা পথ চলা বাকি”, বলল লাজুক ছেলেটি!
সর্বশেষ খবর
-
‘মুসলমানদের নিয়ে স্যাটাভাঙা মার’! জনসভায় বেনজির হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের
-
সন্তানের কান্নায় অতিষ্ঠ, ধারালো অস্ত্রের কোপে ৬ মাসের শিশুকন্যাকে গলা কেটে খুন মা’র!
-
মেট্রোপলিটান এলাকার বেআইনি নির্মাণে নজর, উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের তলব হাই কোর্টের
-
নিজেই নিজেকে গুনবেন! রাজ্যে স্ব-গণনায় বিশেষ পোর্টাল খুলে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের
-
বাম আমলে ‘খুন’, প্রতিজ্ঞা পূরণ করে ৩৪ বছর পর বিজেপিকর্মী বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করলেন ছেলেরা