সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুকিশূন্য মণিপুরের ইম্ফল উপত্যকা! সূত্রের খবর, মেতেই অধ্যুষিত রাজধানী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বসবাসরত শেষ কয়েকটি কুকি-জো পরিবারকে। এই নিয়েই নিন্দায় সরব হয়েছেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ পি চিদম্বরম। তাঁর অভিযোগ, মণিপুরে ‘জাতিহত্যা’ হচ্ছে।
রবিবার এ বিষয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা। সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি লেখেন, ‘দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী মেতেই অধ্যুষিত ইম্ফলের শেষ পাঁচটি কুকি পরিবারকে বলপূর্বক ঘরছাড়া করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকার নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে তাঁদের উৎখাত করেছে। যার মানে একটা রাজ্য ‘জাতিহত্যা’ করছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার বলছে মণিপুর সরকার সংবিধান মেনে কাজ করছে। এর থেকে লজ্জার আর কিছু নেই। এর থেকে বড় অনাচার কিছু হতে পারে না।’
[আরও পড়ুন: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় যাচ্ছেন না মোদি! কেন?]
সূত্রের খবর, গত শুক্রবার রাতে ২৪টি কুকি পরিবারকে ইম্ফল উপত্যকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানান, ইম্ফল উপত্যকায় কুকিদের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থেই তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত পাঁচ মাস ধরে উত্তপ্ত হয়ে আছে মণিপুর। মেতেই-কুকি জাতিদাঙ্গার আগুনে জ্বলছে উত্তরপূর্বের এই রাজ্য। প্রায় দিনই সে রাজ্য থেকে সংঘর্ষ ও রক্ত ঝরার খবর মিলছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯২। আহত বহু। প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন পড়শি রাজ্যগুলিতে। মণিপুরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বারে বারে সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনা মুখে পড়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। এবার কুকি সম্প্রদায়ের ভিটেমাটি হারানোর ঘটনায় নতুন করে বিরোধী শিবিরের রোষের মুখে পড়ল কেন্দ্রীয় সরকার।
[আরও পড়ুন: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে এবার আসরে মায়ানমারে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের নায়ক]
সর্বশেষ খবর
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?
-
প্রাক্তন বিধায়কদের ‘দুর্দশা’ দেখে বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, বাড়ছে চিকিৎসা ভাতা, সাহায্য বন্যা বিধ্বস্ত অসমকেও