দোষীরা শাস্তি পাবেই, কাঠুয়া-উন্নাও কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন মোদি

"দেশের এমন ঘটনা আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮, ১৩:৫৯

options
link
দোষীরা শাস্তি পাবেই, কাঠুয়া-উন্নাও কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন মোদি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাঠুয়ায় আট বছরের কিশোরীর গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার দিল্লির ডক্টর আম্বেদকর ন্যাশনাল মেমোরিয়ালের সভায় জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় শিশুকন্যাকে গণধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “দেশের এমন ঘটনা আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক।”

Advertisement

ক্ষোভে ফুঁসছিল গোটা দেশ৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠেছে প্রতিবাদের ঢেউ৷ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা একে একে সরব হয়েছেন৷ মুখ খুলছিলেন সিনেমা ও খেলার জগতের বিশিষ্টরাও৷ পথে নামেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইন্ডিয়া গেটের সামনে মোমবাতি মিছিলে যোগ দেন তিনি৷ সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, “একসময় মোদি নিজেকে দেশের পাহারাদার হিসেবে দাবি করেছিলেন৷ সেই পাহারাদারকে জাগানোর চেষ্টা করছি৷” তারপরই শুক্রবার কাঠুয়া ও উন্নাওয়ের ঘটনায় নিজের প্রতিক্রিয়া দিলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এমন ঘটনায় অভিযুক্তদের রেয়াত করা হবে না। আমাদের মেয়েরা সুবিচার পাবেন। আমাদের সকলকে একত্রিতভাবেই সমাজের এই জঙ্গাল সাফ করতে হবে। পরিবার থেকেই কাজটা শুরু করতে হবে। সমাজ ও বিচার ব্যবস্থাকে আরও কড়া করতে হবে। বাবা সাহেব (আম্বেদকর) যে ভারতের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সেই রকম দেশই গড়ে তুলতে হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘ধর্ষকদের আড়াল করতে জাতীয় পতাকা! এটা কি দেশদ্রোহিতা নয়?’]

সভায় কংগ্রেসকেও একহাত নেন মোদি। বলেন, “দলিতদের উন্নতির জন্য কংগ্রেস কখনও কোনও পদক্ষেপ করেনি। আমাদের সরকার বাবা সাহেবের দেখানো পথেই এগোতে চায়। সমাজের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের কাজে উন্নতির আলো পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। যে পথে কখনও হাঁটেনি কংগ্রেস।”

উল্লেখ্য, গত ১০ জানুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া গ্রাম থেকে আসিফাকে অপহরণ করে একদল দুষ্কৃতীরা। ওই দুষ্কৃতীদের মধ্যে ছিল স্থানীয় পুলিশকর্মীরাও। ছিল দুই নাবালকও। দিনের পর দিন তাকে ধর্ষণ করে শেষে খুন করা হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত সাঞ্জি রামের লক্ষ্য ছিল, রাসসানা এলাকা থেকে বাখরেওয়াল সম্প্রদায়কে হটানো। আর তাই বাখরেওয়াল সম্প্রদায়ের আসিফাকে শিকার বানিয়ে বাকিদের মনে ভয় ধরাতে চেয়েছিল। ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসারকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্ভয়া কাণ্ডের কয়েক বছর পরেই৷ গোটা দেশই এই নৃশংসতায় রীতিমতো স্তম্ভিত৷ এবার মোদিও জানিয়ে দিলেন, অপরাধীদের রেয়াত করা হবে না৷ এদিকে, কাঠুয়া গণধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের সমর্থন করার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি যে দুই মন্ত্রী বিরুদ্ধে, সেই চন্দ্র প্রকাশ গঙ্গা এবং লাল সিং পদত্যাগ করলেন৷

[নাবালিকা ধর্ষণের শাস্তি হোক মৃত্যুদণ্ড! মানেকা গান্ধীর ডাকে সাড়া দেবে কেন্দ্র?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন