PM Modi

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে ‘শহিদ’ স্মরণ, রাজনৈতিক হিংসা নিয়েও সরব মোদি

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে ভোটমুখী বাংলাকে নিশানা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কড়া সুরে জানালেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজনৈতিক হিংসার আঁতুড়ঘর। এখানে হিংসাকে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৬:১২

options
link
বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে ‘শহিদ’ স্মরণ, রাজনৈতিক হিংসা নিয়েও সরব মোদি
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে ভোটমুখী বাংলাকে নিশানা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। কড়া সুরে জানালেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজনৈতিক হিংসার আঁতুড়ঘর। এখানে হিংসাকে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত করা হয়েছে। নাম না করেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়ে বাংলায় বিজেপির বহু কর্মী শহিদ হয়েছেন। এদিনের ভাষণে তাঁদের উদ্দেশে শ্রদ্ধাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সোমবার ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে কংগ্রেস জমানার অপশাসনের দিকে আঙুল তুলে বিজেপির উত্থান ও ক্রমশ গোটা দেশে গেরুয়া শিবিরের শক্তিবৃদ্ধির সাফল্য তুলে ধরেন তিনি। এই প্রসঙ্গেই মোদির মুখে উঠে আসে বাংলা ও কেরল প্রসঙ্গ। ভোটমুখী এই দুই রাজ্যে ‘অপশাসন’ ও ‘রাজনৈতিক হিংসা’র অভিযোগ তুলে মোদি বলেন, “বাংলা ও কেরল রাজনৈতিক হিংসার আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে। হিংসাকে এখানে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত করা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের উপর ভয়াবহ হিংসা চালানো হলেও আমরা থামিনি, ভয় পাইনি। বরং লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। আমাদের বহু কর্মী শহিদ হয়েছেন। আজকের এই দিনে আমি তাঁদের সকলকে শ্রদ্ধা জানাই।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মোদি বলেন, “বাংলা ও কেরল রাজনৈতিক হিংসার আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে। হিংসাকে এখানে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত করা হয়েছে।”

পাশাপাশি বিজেপির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “দীর্ঘ বছর পর এই প্রথম দেশে কোনও রাজনৈতিক দল এত বিপুল জনমত পেয়েছে। এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে আমাদের কর্মীদের নিরন্তর চেষ্টা। তাঁরা দলের সিদ্ধান্তকে জীবনের আদর্শে পরিণত করেছে। যার জেরেই আজ আমরা একটি শক্তিশালী ক্যাডার নির্ভর দলে পরিণত হয়েছি। দেশ দেখেছে কংগ্রেস কীভাবে একটি ক্ষমতা নির্ভর দলে পরিণত হয়েছিল। যার জেরেই মানুষের বিশ্বাস বেড়েছে বিজেপির প্রতি। আজ দেশে দুই ধারার রাজনীতি চলছে একটি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি ও অন্যটি সেবা নির্ভর রাজনীতি। এই ক্ষমতার রাজনীতির পতন ঘটিয়ে বিজেপির সেবার রাজনীতির উত্থান ঘটিয়েছে দেশে। বিজেপির কাছে রাষ্ট্রই সবার আগে। মানুষ সেটা বুঝেছেন”।

Advertisement

তবে বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে মোদির গলায় বাংলার প্রসঙ্গকে পুরোপুরি ভোটের রাজনীতি হিসেবে দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। বাংলায় নির্বাচনী হিংসার অভিযোগ আগেও একাধিকবার তুলেছে গেরুয়া শিবির। এ নিয়ে আদালতে দায়ের হয়েছে মামলাও। যদিও বিজেপির সে অভিযোগ ধোপে টেকেনি। এই অবস্থায় মোদির বার্তায় রাজনৈতিক মহলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আসলে বিজেপির সুশাসনের কাল্পনিক ছবি তুলে ধরে এখানকার মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করলেন। একইসঙ্গে ভোটের আগে বঙ্গের বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করতে কিছুটা টনিক দিয়ে গেলেন মোদি। এদিকে মোদিকে পালটা তোপ দেগে তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, বাংলার হিংসা নিয়ে কথা বলার আগে উত্তরপ্রদেশকে দেখুন। কেন্দ্রের রিপোর্টে দেখুন উত্তরপ্রদেশের কত পরিমাণে হিংসা হয়। পাশাপাশি মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বাংলা বঞ্চনার অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, বাংলাকে বদনাম করার আগে বাংলার বকেয়া টাকা মেটাক কেন্দ্র। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.