সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আকাশে ঘনিয়েছে যুদ্ধের লাল রং৷ একদিকে মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সম্মুখ সমরে দুই মহারথী৷ বিনাযুদ্ধে কেউ কাউকে ‘সূচাগ্র মেদিনী’ ছাড়বে না৷ এমনই মরণপণ৷
তবে, এ লড়াই রাজনীতির ময়দানে নয়, স্বাদের দুনিয়ায়৷ তাও আবার রসরাজ ‘আম’ নিয়ে৷ আজ্ঞে, হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন৷ উত্তরপ্রদেশের আমের বাজারে এখন রমরমিয়ে বিকোচ্ছে ‘অখিলেশ আম’ ও ‘মোদি আম’৷ কারও পছন্দ মিষ্টি ‘অখিলেশ আম’, তো কারও পছন্দ টক-মিষ্টি ‘মোদি আম’৷ কোনটা বেশি, কোনটা কম তা নিয়ে সরগরম ইউপি বাজার থেকে লখনউয়ের গলি-মহল্লা৷
এই আম যুদ্ধের নেপথ্যের কারিগর মলিহাবাদের কলিমুদ্দিন খান৷ ২০০৮ সালে হাজারেরও বেশি প্রজাতির আম ফলিয়ে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন তিনি৷ যার মধ্যে একটি মাত্র গাছের মাধ্যমেই ফলিয়ে ছিলেন ৩০০ ভিন্ন প্রজাতির আম৷ তিনিই নিজের ফলানো দুই নতুন প্রজাতির আমের এই অভিনব নামকরণ করেছেন৷
নিন্দুকেরা অবশ্য বলছেন, সামনেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন৷ তাই ভোটের বাজারে জনপ্রিয়তা পেতেই কলিমুদ্দিনের এই কর্ম৷ কিন্তু, ৭৫ বছরের কৃষকের জবাব, তেমন হলে নিজের ছেলেদের নামেই নামকরণ করতে পারতেন তিনি৷ অবশ্য তর্ক-বিতর্ক যাই থাক, আম-রসিকরা দিব্য উপভোগ করছেন ‘অখিলেশ’ ও ‘মোদি’ দুইয়ের স্বাদই৷
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ