PM Narendra Modi

আমেরিকা না ইরান ভারত কার পক্ষে? কৌশলে বিরোধীদের জবাব মোদির

সোমবার টিভি ৯ বাংলার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। সেখানে ভাষণ দিতে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধের সময়েও ভারতের নীতি এবং রণনীতি দেখে বিশ্বের অনেক দেশই বিস্মিত হয়েছে। আজ যখন বিশ্ব বহু শিবিরে বিভক্ত, ভারত তখন অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভারত সকল দেশের অংশীদার। সকলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে ভারত।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ২২:১৮

options
link
আমেরিকা না ইরান ভারত কার পক্ষে? কৌশলে বিরোধীদের জবাব মোদির
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত।

যুদ্ধে ভারত কার পক্ষে? অবস্থান স্পষ্ট করুক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে এই প্রশ্ন তুলেই একাধিকবার মোদিকে নিশানা করেছে বিরোধীরা। এবার কৌশলে তার উত্তর দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

সোমবার টিভি ৯ বাংলার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। সেখানে ভাষণ দিতে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধের সময়েও ভারতের নীতি এবং রণনীতি দেখে বিশ্বের অনেক দেশই বিস্মিত হয়েছে। আজ যখন বিশ্ব বহু শিবিরে বিভক্ত, ভারত তখন অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভারত সকল দেশের অংশীদার। সকলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে ভারত।” এরপরই মোদি স্পষ্ট বলেন, “কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমরা কার পক্ষে। আমার উত্তর হল, আমরা ভারতের পক্ষে। ভারত ভারতের পক্ষে। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা আলোচনার পক্ষে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধের প্রভাব সত্ত্বেও ভারত তার উন্নয়নের গতি থামায়নি। গত ২৩ দিনে সরকার বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুদ্ধের মুখেও ভারত তার অগ্রগতি বজায় রেখেছে। বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে যুদ্ধ সবাইকে প্রভাবিত করে। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে কিছু লোক নিজেদের জন্য রাজনৈতিক সুযোগ খুঁজছে। কোভিড মহামারির সময়েও গোটা দেশ একসঙ্গে কাজ করেছে। তার ফল ইতিবাচক হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিকেও আমাদের একইভাবে মোকাবিলা করতে হবে।” এরপরই কংগ্রেসকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেস সবসময়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখেছে। তাদের আমলেও পেট্রল সংকট ছিল। কংগ্রেস অয়েল বন্ড জারি করেছিল। বিদ্যুৎ বাঁচাতে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বিগত কিছু বছর ধরে আমাদের সরকার কংগ্রেসের সেই পাপের ফল বহন করেছে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, সোমবার ২৪ দিনে পড়েছে ইরান যুদ্ধে। এই লড়াইয়ে ইরান ছারখার হলেও প্রত্যাঘাতে আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতিও কম হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে একাধিক মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতবিক্ষত হয়েছে মার্কিন হামলায়। শেষ ২০ দিনের যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ৩টি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও ৬টি কেসি ট্যাঙ্কার ধ্বংস হয়েছে। ইজরায়েলের হাইফা তেল সংশোধনাগারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক তেল ও গ্যাসের ভাণ্ডার ধ্বংস করছে ইরান। হরমুজ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১০০ ডলার পেরিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ নিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন মোদি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.