নরেন্দ্র মোদি সরকার যদি জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল না করত এবং রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে না নিত, তাহলে অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য সোচ্চার হত। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে এমনটাই বললেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।
আরও পড়ুন:
এদিন সকালে শ্রীনগরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ওমর। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সীমান্তের ওপারের পরিস্থিতি দেখে আমার মনে হয়, আমাদের পূর্বপুরুষরা যে বলতেন হামলাবার খবরদার, হাম কাশ্মীরি হ্যায় তৈয়ার (আক্রমণকারীরা সাবধান, আমরা কাশ্মীরিরা প্রস্তুত), তা সঠিকই ছিল।” তিনি আরও বলেন, “পিওকে-র পরিস্থিতি দেখে আমি ব্যথিত। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা ও বিশেষ মর্যাদা বাতিল না করা হলে, আজ পিওকে-র মানুষ জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত হওয়ার দাবিতে সোচ্চার হতেন।” ওমরের কথায়, “আমরা বিধানসভায় ওপারকার অংশের জন্য আসন ফাঁকা রেখেছি। আমরা আশা করি, সেগুলি একদিন পূরণ হবে।” জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি তাঁকে ব্যথিত করছে। সেখানে গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হওয়ায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। অসংখ্য মানুষ আহত ও কারারুদ্ধ হয়েছেন।
এদিকে ওমরের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছে বিজেপি। উপত্যকার বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। জাতীয় পতাকাকে উদযাপন করার মতো একটি দিনে তিনি রাজনীতি করছেন। তাঁর উচিত ছিল এই উপলক্ষকে নিজের কাজের খতিয়ান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার কাজে ব্যবহার করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তিনি এটিকে রাজনীতির কাজে লাগিয়েছেন।” সুনীল আরও বলেন, “আমাদের সরকার রাজ্যের মর্যাদা ও সাংবিধানিক সুরক্ষা পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম করতে এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সর্বশেষ খবর
-
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের জোরাল ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
-
রাত নামলেই চলত দেহব্যবসা! স্বাধীনতা দিবসে বসিরহাটের গেস্টহাউসে চলা কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস
-
মুখে বন্দে মাতরম, মনে দেশপ্রেম! জলবন্দি স্কুলে নৌকায় চেপে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন খুদে পড়ুয়াদের
-
‘অরবিন্দের যোগচর্চা ফিরিয়েছেন মোদি’, জন্মদিনে ঋষি অরবিন্দর বাড়ি গিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শুভেন্দুর
-
রাজ্যে ফের কোভিডে মৃত্যু! প্রাণ গেল দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপারের