Rahul Gandhi Pranab Mukherjee

দিন-রাতের তফাত জানেন না রাহুল গান্ধী, বলে গিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়

প্রধানমন্ত্রিত্ব সামলাবে কি করে? রাহুল গান্ধীকে নিয়ে মত ছিল প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২৩, ১৯:৪৯

options
link
দিন-রাতের তফাত জানেন না রাহুল গান্ধী, বলে গিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন আর রাতের মধ্যেই পার্থক্য করতে পারে না, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সামলাবে কী করে? রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দেখে এমনটাই বলেছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির খামখেয়ালি আচরণেও বেশ বিরক্ত হতেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি। এমনই অজানা নানা তথ্য উঠে এসেছে প্রণবকন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়ের সদ্যপ্রকাশিত বইয়ে। উল্লেখ্য, গান্ধী পরিবারের তিন প্রজন্মের সঙ্গে কাজ করেছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ে।

Advertisement

বাবার লেখা ডায়রি থেকে নানা ঘটনার উল্লেখ করেছেন প্রণবকন্যা। তার মধ্যেই অন্যতম রাহুল-প্রণবের সাক্ষাৎ। শর্মিষ্ঠা লিখেছেন, “একদিন সকালে অভ্যাসবশত মুঘল গার্ডেন্সে হাঁটছিলেন বাবা। হঠাৎ রাহুল গান্ধী এসে হাজির। তবে বাবা দেখা করেছিলেন। পরে জানা গেল, ওইদিন বিকেলে বাবার সঙ্গে রাহুলের দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু রাহুলের দপ্তর PMকে AM ভেবে সকালেই বৈঠক করেছিল। বাবা আমাকে বলেছিলেন, যে দিন-রাতের ফারাক করতে পারে না সে একদিন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর চালাবে কী করে?”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ঠিক করুন বামেদের বিরুদ্ধে লড়বেন নাকি বিজেপির বিরুদ্ধে! রাহুলকে চ্যালেঞ্জ বিজয়নের]

আরও বেশ কয়েকটি ঘটনায় রাহুলের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের কয়েকমাস পরে কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলনেও হাজির ছিলেন না রাহুল। এছাড়াও মাঝে মাঝেই রাহুলের ছুটি কাটাতে যাওয়ার বিষয়টিও ভালোভাবে নেননি প্রণব (Pranab Mukherjee)। তাঁর মতে, সোনিয়াজি চেয়েছিলেন রাহুলকেই দলের কাণ্ডারী বানাতে। কিন্তু রাহুলের রাজনৈতিক জ্ঞানের অভাবেই সমস্যা বেড়েছে।

Advertisement

তবে রাহুলের পক্ষেও বেশ কিছু কথা লিখেছেন প্রণবকন্যা। তাঁর মতে, “কংগ্রেসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে রাহুলের ভূমিকার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিলেন বাবা। তবে উনি বেঁচে থাকলে অবশ্যই ভারত জোড়ো যাত্রার প্রশংসা করতেন। যেভাবে ১৪৫ দিন ধরে একাগ্রভাবে যাত্রা চালিয়েছেন রাহুল, সেটা বাবার ভালো লাগত।”

[আরও পড়ুন: দিল্লির নামী হাসপাতালে কিডনি বিক্রি মায়ানমারের বহু যুবকের! তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.