সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর। এ পর্যন্ত গান্ধী পরিবারের কোনও সদস্য সরকারি কাজে তাঁর দরবারে যাননি। সাংসদ হওয়ার পর দু’সপ্তাহের মধ্যেই সেই ‘পারিবারিক প্রথা ভাঙলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ধস পরবর্তী ওয়ানড়ে ত্রাণ বাড়ানোর দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন সেখানকার সদ্য নির্বাচিত সাংসদ।
প্রিয়াঙ্কা মূলত ওয়ানড়ে ভুমিধস এবং তিন বছর আগে রাজ্যের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সাহায্য চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে একা কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক নন, কেরলের অন্য কয়েকজন সাংসদও শাহী দরবারে যান। গত সেপ্টেম্বরে ভয়ংকর ভূমিধসে বিধ্বস্ত হয়েছিল ওয়ানড়। ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের সেই দিন কাটিয়ে উঠছে স্থানীয়রা। তবে তাঁদের আরও সরকারি সাহায্য প্রয়োজন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করে থাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেকারণেই শাহী দরবারে যান প্রিয়াঙ্কা।
প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ, ওয়ানড়ে ত্রাণ বিলির ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের তরফেই গড়িমসি রয়েছে। ওয়ানড়ের সাংসদ বলছেন, “গ্রামকে গ্রাম ভেসে গিয়েছে। বহু পরিবার শেষ হয়ে গিয়েছে। বহু মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিলিতে দেরি হলে মানুষ আরও সমস্যায় পড়বেন।” তাছাড়া এই মুহূর্তে ত্রাণ না পেলে ধস কবলিতে এলাকার মানুষের মনে প্রশাসনের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতা তৈরি হবে।
সাংসদ হিসাবে প্রিয়াঙ্কা যা করেছেন, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু গান্ধী পরিবারের সদস্য হিসাবে এভাবে শাহী দরবার অস্বাভাবিক। ২০১৯ সালের পর থেকে শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্বে। অথচ, এত দিনে সোনিয়া গান্ধী বা রাহুল গান্ধীরা কেউ অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেননি। এমনকী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎও এড়ানোর চেষ্টা করেন গান্ধী পরিবারের সদস্যরা। সেই রীতি ভাঙলেন প্রিয়াঙ্কা।
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! লজ্জার সিরিজ হার শ্রেয়সের ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক