সাইকো শংকরের জমানা শেষ! হাঁফ ছেড়ে বাঁচল পুলিশও

কে এই সাইকো শংকর? জানলে শিউরে উঠবেন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১২:৩১

options
link
সাইকো শংকরের জমানা শেষ! হাঁফ ছেড়ে বাঁচল পুলিশও

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তার আসল নাম খুব লোক জানে। এলাকায় কুখ্যাত ‘সাইকো শংকর’ নামেই। পুলিশের খাতায় অবশ্য আসল নামটা রয়েছে। এম জয়শংকর। তামিলনাড়ু, কর্ণাটক-সহ একাধিক রাজ্যে তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি খুন, ৩০টি ধর্ষণের মামলা রয়েছে। বলতে গেলে, সে এক চলন্ত মূর্তিমান আতঙ্ক! গ্রেপ্তার হলেও দু’বার পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছে সে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে বেঙ্গালুরুর প্রান্তিক এক জেলে আত্মহত্যা করল সে। সেই সঙ্গে শেষ হল ক্রাইমের এক জমানা। ২০১৭-তে তার উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয় কন্নড় সিনেমা ‘সাইকো শংকর’।

Advertisement

[রঙের উৎসব হোলিতে মাতল বৃন্দাবনের বিধবারা, ভিডিও ভাইরাল]

পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত ২টো নাগাদ বেঙ্গালুরুর পারাপ্পানা অগ্রহারা জেলে শংকরের দেহ প্রথম দেখতে পায় অন্যান্য বন্দিরা। তারাই জেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। ততক্ষণে গোটা দেহ যেন রক্তে ভেসে যাচ্ছে। জেলেরই ডাক্তার শংকরের দেহ হাসপাতালে পাঠান। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে। সেখানে ভোর ৫টা ১০ মিনিট নাগাদ চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তার মৃত্যুতে যেন পুলিশও খানিকটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। যদিও নিয়মমাফিক তার মৃত্যুর তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জেলের ভিতরই কারও কাছ থেকে একটি ব্লেড জোগাড় করে, ওই ব্লেড দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেছে শংকর। এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই পুলিশেরই রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল সাইকো শংকর। ২০১৩-র ৫ সেপ্টেম্বর কুদলিগেটের কাছে একটি জেলের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ভেদ করে স্রেফ একটি বাঁশ ও চাদরের সাহায্যে পালায় শংকর। ৪১ বছরের জয়শংকর সালিম জেলার বাসিন্দা। ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়াশোনা করে তারপর ট্রাকচালকের হেল্পার হিসাবে কাজে নামে। খালাসি হিসাবে কাজ করতে গিয়ে তামিল, কন্নড় ও হিন্দি ভাষায় তার দখল তৈরি হয়ে যায়। ২০০৯-এ এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলকে ধর্ষণ ও খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। ২০০৯-এই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বারবার পুলিশের চোখের ধুলো দিয়ে পালিয়েছে শংকর। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ১৩টি ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ দায়ের হয় তার বিরুদ্ধে। ২০১১-তে ৬ মহিলাকে খুন করার অভিযোগে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করে তার বিচার চলে। সেই থেকে জেল খাটছিল শংকর। তার মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে অপরাধ জগতের একটা আস্ত অধ্যায় শেষ হল বলেই মনে করছে পুলিশ।

Advertisement

[হোলি উপলক্ষে ভিড় সামলাতে ৫০০টি বিশেষ ট্রেন, সুবিধা বাংলারও]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.