Mamata Banerjee

‘প্রভু কারও অহংকার সয় না’, রথের দিনই ‘ধাম’ বিতর্কে মমতাকে বিঁধলেন জগন্নাথ দয়িতাপতি

শুধু জগন্নাথ দয়িতাপতিই নন, এর আগে ধাম নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা পুরোহিত ছিলেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৭:০০

options
link
‘প্রভু কারও অহংকার সয় না’, রথের দিনই ‘ধাম’ বিতর্কে মমতাকে বিঁধলেন জগন্নাথ দয়িতাপতি
রথের দিনই 'ধাম' বিতর্কে মমতাকে বিঁধলেন জগন্নাথ দয়িতাপতি!

দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের নামের আগে ধাম লেখা নিয়ে প্রথম থেকে আপত্তি ছিল বিভিন্নমহলে। অনেক তর্ক বিতর্কের পর মন্দির তৈরি হল বটে, কিন্তু ক্ষমতা থেকেই চলে গেলেন মন্দির তৈরির মূল উদ্যোক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগেরবার রথে নিজে রাস্তা ঝাঁট দিয়ে রথের রশি টেনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক বছরের মধ্যেই পালটে গিয়েছে সব! ক্ষমতা যেতেই ধীরে ধীরে দলের রশিই চলে যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে। আর এহেন পরিস্থিতির জন্য মমতার অহংকারই দায়ী বলে সুর চড়ালেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর কথায়, প্রভু কারও অহংকার সয় না। তার জন্যই সরকার টেকেনি।

Advertisement

শুধু জগন্নাথ দয়িতাপতিই নন, এর আগে ধাম নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দৈতাপতিও। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা পুরোহিত ছিলেন তিনি।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুরীর জগন্নাথ ধামের জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি বলছেন, ”কোনও রাজনীতি আমি করি না। যেটা লিগাল, সেটি বলি।” এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে জগন্নাথ দয়িতাপতির বক্তব্য, ”আমার কথা কিছু শোনেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধাম লিখে দেওয়া হল দিঘায়। পাথরের মূর্তি করা হল। ধাম লিখে লাভ কী আছে। ধাম একমাত্র পুরী। হাজার হাজার এমন মন্দির তৈরি হচ্ছে।” তাঁর কথায়, প্রভু কারও অহংকার সয় না। এই জন্যই সরকার উলটেছে বলেও মন্তব্য জগন্নাথ দয়িতাপতির।

Advertisement

শুধু তাই নয়, দিঘার মন্দির থেকে ‘ধাম’ শব্দ সরিয়ে নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও শোনা যায় পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর বক্তব্যে। তিনি বলেন, ”শুভেন্দুও শিষ্য আমার। ও সঙ্গে সঙ্গে ধামটা কেটে দিল।” শুধু জগন্নাথ দয়িতাপতিই নন, এর আগে ধাম নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা পুরোহিত ছিলেন তিনি। রাজেশ দয়িতাপতির মন্তব্য ছিল, ”আমি দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেছি। তবে কয়েকটি ভুল ছিল। তখনই অমি বলেছিলাম। কিন্তু আমার কথা শোনা হয়নি।” শুধু তাই নয়, পাথরের জগন্নাথ মূর্তিতে যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন দয়িতাপতি। 

Advertisement

তাঁর কথায়, ”প্রথমে পাথরের জগন্নাথ মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে জানাই। তারপরেই নিমকাঠের মূর্তি বানানো হয়। পাশাপাশি “জগন্নাথ ধাম” নামটি বাদ দেওয়ার কথা বলেছিলাম। কারণ, চার ধামের অন্যতম ধাম হল ‘পুরীর জগন্নাথ ধাম’। তারপরেও ধাম শব্দটি রেখে দেওয়া হয়। যা নিয়ে মনের মধ্যে ক্ষোভ ছিল বলেও মন্তব্য করেন পুরীর প্রধান পুরোহিত। এবার ধাম নিয়ে মুখ খুললেন জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতিও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.