Rahul Gandhi

‘স্বাধীনতার অপমান’, ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ মোহন ভাগবতকে গ্রেপ্তারের দাবি রাহুলের

'অন্য কোনও দেশ হলে এতক্ষণে গ্রেপ্তার হতেন মোহন ভাগবত', দাবি রাহুলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৫, ১৫:০৭

options
link
‘স্বাধীনতার অপমান’, ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ মোহন ভাগবতকে গ্রেপ্তারের দাবি রাহুলের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে এবার আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে গ্রেপ্তারের দাবি তুললেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, ভাগবত যে মন্তব্য করেছেন তা শুধু স্বাধীনতার অপমান নয়, রাষ্ট্রদ্রোহী মন্তব্য। অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করা উচিত। রাহুলের আরও দাবি, এটা অন্য কোনও দেশে হলে এতক্ষণে গরাদের পিছনে জায়গা হত আরএসএস প্রধানের।

Advertisement

বুধবার দিল্লিতে কংগ্রেসের নয়া দলীয় দপ্তর ইন্দিরা ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সেখানেই মোহন ভাগবতের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, “ভাগবত যে মন্তব্য করেছেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল। কারণ, ওঁর দাবি অনুযায়ী এই সংবিধান অবৈধ, ইংরেজদের বিরুদ্ধে যে লড়াই হয়েছিল তা অবৈধ। ভারত ছাড়া অন্য কোনও দেশে এই ধরনের মন্তব্য করা হলে এতক্ষণে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নেওয়া হত।” একইসঙ্গে রাহুল বলেন, “মোহন ভাগবত যে মন্তব্য করেছেন তা আপামর ভারতবাসীর অপমান। সময় এসেছে এই ধরনের চিন্তাধারার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে রাহুল গান্ধী আরও বলেন, “ভারতে বর্তমানে দুই বিচারধারার বিরুদ্ধে দ্বন্দ্ব চলছে। একটি হল আমাদের বিচারধারা যা সংবিধানের মূল ভিত্তির উপর নির্মিত। অন্যটি হল আরএসএসের বিচারধারা যা সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর।” রাহুলের দাবি, “এই মুহূর্তে দেশে কোনও দ্বিতীয় রাজনৈতিক দল নেই যারা বিজেপি ও আরএসএসের এজেন্ডাকে থামাতে পারে। একমাত্র কংগ্রেসই পারে এদেরকে থামাতে। কারণ আমরা শুরু থেকে একটাই বিচারধারা নিয়ে চলি।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গত সোমবার ইন্দোরে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেখানেই বক্তব্য রাখতে উঠে অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনকে প্রকৃত স্বাধীনতা বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, “আগে এই দিনটিকে বলা হত বৈকুন্ঠ দ্বাদশী। তবে এখন থেকে বিশেষ এই দিনকে আমাদের প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী বলা উচিত। কারণ কয়েকশো বছর ধরে শত্রুর আক্রমণ সহ্য করা ভারত আসল স্বাধীনতা ওইদিন পেয়েছে। এতদিন স্বাধীনতা ছিল কিন্তু তা প্রতিষ্ঠিত ছিল না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন