Rahul Gandhi

পেলেট গানে আহত ছাত্রের এফআইআর নিতে নারাজ দিল্লি পুলিশ! থানাতেই ধরনায় রাহুল

দিল্লি পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযানে পেলেট গান ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর দাবি, ওইদিন নিরাপত্তারক্ষীরা পেলেট গান ব্যবহার করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৩:৫২

options
link
পেলেট গানে আহত ছাত্রের এফআইআর নিতে নারাজ দিল্লি পুলিশ! থানাতেই ধরনায় রাহুল
দিল্লিতে ধরনায় রাহুল গান্ধী। ছবি: সোশাল মিডিয়া।

এবার দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে ধরনায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন পেলেট গানে আহত পড়ুয়া পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলে সেই অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে না। এই অভিযোগে দিল্লি পুলিশকে বিঁধে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় ধরনায় বসে গেলেন রাহুল।

Advertisement

দিল্লি পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযানে পেলেট গান ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর দাবি, ওইদিন নিরাপত্তারক্ষীরা পেলেট গান ব্যবহার করেছেন। এবং তাতে একাধিক বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। অথচ ওই বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ জানাতে গেলে সেই অভিযোগও নাকি গ্রহণ করছে না। রাহুল ইতিমধ্যেই সাহিল লোচভ নামের এক বিক্ষোভকারীকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে সাহিলের শরীরের ‘পেলেট ইনজুরি’ দেখিয়েওছেন বিরোধী দলনেতা।

Advertisement

বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, সাহিল ২০ জুলাই ককরোচদের বিক্ষোভে পুলিশের পেলেট গানে আহত হয়েছেন। পরে ১৪ আগস্ট তিনি নিরাপত্তা আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। কিন্তু তাঁর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়নি। এমনকী প্রাপ্তিস্বীকারও করা হয়নি। পরে ১৭ আগস্ট ইমেলের মাধ্যমে ফের অভিযোগ করেন সাহি্ল। সেদিনও তাঁর অভিযোগ গ্রহণ করেনি পুলিশ। শেষমেশ শুক্রবার সাহিলকে সঙ্গে নিয়ে সোজা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চলে যান রাহুল। বিরোধী দলনেতা সাফ বলে দেন, খোদ ডিসিপির সঙ্গে দেখা করে তিনি অভিযোগ দায়ের করবেন। সেই FIR গ্রহণ করতে হবে। ডিসিপি প্রাথমিকভাবে দেখা করতে না চাওয়ায় বিরোধী দলনেতা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সামনেই ধরনায় বসে পড়েন।  থানার সামনে ঠায় বসে থাকেন তিনি। 

বস্তুত, গত ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযানে ব্যাপক পুলিশি নৃশংসতার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে ছররা বন্দুক চালানোর অভিযোগও উঠেছে। একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ, ওই দিন র‌্যাফের অন্তত এক ডজন সদস্যের হাতে ছররা বন্দুক তুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই ছররা বন্দুকের গুলিতে মোট পাঁচ জন জখম হয়েছেন। এদের মধ্যে এক সাংবাদিকও ছিলেন। মূলত র‍্যাফ এক্ষেত্রে অভিযুক্ত হলেও তারা রিপোর্ট করে দিল্লি পুলিশ এবং সিআরপিএফকে। ফলে ওই ছররা বন্দুক ব্যবহারের নির্দেশ কে দিয়েছিল, সেই নিয়েই দায় ঠেলাঠেলি চলছে। এই নিয়ে রাহুল আগে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.