Rajnath Singh

অক্টোবরেই মালাবার মহড়া, চিনকে নজরে রেখে মার্কিন সফরে রাজনাথ!

ভারতের হাতে আসছে 'শিকারি' ড্রোন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৪, ০৮:২৭

options
link
অক্টোবরেই মালাবার মহড়া, চিনকে নজরে রেখে মার্কিন সফরে রাজনাথ!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫ দিনের মার্কিন সফরে যাচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের চুক্তি থেকে মালাবার মহড়া-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এই সফরে আলোচনা করবেন রাজনাথ। মার্কিন ড্রোন কেনার চুক্তিটিও চূড়ান্ত হতে পারে বলেই খবর। মনে করা হচ্ছে, চিনকে নজরে রেখেও নানা কৌশল নিতে পারে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন।   

Advertisement

শত্রুকে জবাব দিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাহায্যে ভারত। নতুন করে শক্তি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র হাতে এসেছে দিল্লির। দেশীয় প্রযুক্তিতেও তৈরি হচ্ছে ফাইটার জেট-সহ নানা অস্ত্রশস্ত্র। এবার আমেরিকার থেকেও ফের আমদানি করার হবে বেশ কিছু ফাইটার জেট ও ড্রোন। জানা গিয়েছে, রাজনাথের সফরকালে ৩১টি এমকিউ-৯বি স্কাই ড্রোন ও জিই-৪১৪ জেট ইঞ্জিন কেনা নিয়ে চুক্তিটি চূড়ান্ত হতে পারে। এই ইঞ্জিনগুলো পরবর্তীতে তেজস যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শরিকি চাপ! UPSC-র ‘ল্যাটারাল এন্ট্রি’ বাতিলের নির্দেশ মোদি সরকারের

সীমান্তে পাকিস্তান ও চিনের আগ্রাসনের মোকাবিলা করতে বেশ কয়েকদিন ধরেই মার্কিন ড্রোন কিনতে চেয়েছে ভারত। গত বছরের জুন মাসে মার্কিন সফরে গিয়ে ৩১টি ড্রোন কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরে আলোচনাও হয়েছে ড্রোন কেনার চুক্তি নিয়ে। শেষ পর্যন্ত ৪০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে ৩১টি এমকিউ-৯বি স্কাই ড্রোন কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় দুই দেশের মধ্যে। এবার এই চুক্তিই বাস্তবায়িত হবে।

Advertisement

অন্যদিকে, আগামী অক্টোবর মাসেই বঙ্গোপসাগরে মালাবার নৌ মহড়ায় নামবে কোয়াড জোট। অর্থাৎ আমেরিকা, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনী একসঙ্গে মহড়া করবে। উল্লেখ্য, ১৯৯২ থেকে সমুদ্র সুরক্ষার লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে আমেরিকার সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়া শুরু করেছিল ভারত। ২০১৫ সালে মালাবার মহড়ায় যুক্ত হয়েছিল জাপানের নৌবাহিনীও। গোড়া থেকেই তা নিয়ে চিন সন্দিহান ছিল। তাদের ধারণা, ভারতীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতেই এই মহড়া করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, মালাবার মহড়ায় শক্তি প্রদর্শন করে চিনকে বার্তা দিয়ে চায় ভারত। তাই এই সফরে মালাবার মহড়া নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সারবেন রাজনাথ। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গতিবিধি বাড়িয়ে দিয়েছে লাল ফৌজ। বেজিংকে নজরে রেখেই এই মহড়ায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন