রাম মন্দির

রাম মন্দির নির্মাণে হবে না লোহা ব্যবহার, তামার পাত দানের আরজি ট্রাস্টের

মন্দির নির্মাণে দশ হাজার তামার পাত প্রয়োজন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২০, ১৯:৪৯

options
link
রাম মন্দির নির্মাণে হবে না লোহা ব্যবহার, তামার পাত দানের আরজি ট্রাস্টের
অযোধ্যায় প্রস্তাবিত রাম মন্দির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ লড়াই শেষে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দির নির্মাণের কাজ। শুক্রবার একথা জানিয়েছে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। সাড়ে তিন থেকে ৪ চার বছরের মধ্যে মন্দিরের নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে বলে দাবি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মন্দির নির্মাণে লোহা ব্যবহার করা হবে না। তার বদলে থাকবে তামার পাত। তাই দেশবাসীকে তামার পাত দান করার আরজি জানিয়েছে ট্রাস্ট।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর পরই উত্তর ভারতে অশান্তি ছড়াতে ছক কষছে ISI!]

একাধিক টুইট করে রাম মন্দির ট্রাস্ট জানিয়েছে, ইট নয়, হাজার বছর ধরে টিকে থাকার উদ্দেশ্যে পাথরের চৌক টুকরো দিয়ে তৈরি হবে মন্দির (Ram Mandir)। আর প্রতিটি টুকরোর মাঝে থাকবে তামার পাত। এর ফলে এই মন্দির কমপক্ষে হাজার বছর টিকে থাকবে। নির্মাণ কাজে দেশের রামভক্তদের কাছে সেই কারণে তামার পাত দান করারও আরজি জানিয়েছে ট্রাস্ট। বলা হয়েছে ১৮ ইঞ্চি লম্বা, ৩০ মিলিমিটার চওড়া এবং ৩ মিলিমিটার পুরু দশ হাজার তামার পাত প্রয়োজন। যাঁরা দান করতে চান তাঁদের এই মাপের তামার পাত পাঠাতে হবে। দান করা তামার পাতে কেউ চাইলে পরিবারের নাম, ঠিকানা, গোত্র সব খোদাই করে দিতে পারেন। এটা করা হলে দেশের একতা রক্ষার পাশাপাশি গোটা ভারতের অংশগ্রহণ থাকবে মন্দির নির্মাণে বলেই ট্রাস্টের বক্তব্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার রাম মন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছিলেন, ইতিমধ্যেই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় তিনি খুশি। যাতে কমপক্ষে হাজার বছর মন্দির অক্ষত থাকে সেটা নিশ্চিত করার জন্য নির্মাণকারী সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুব্রো সেরা কর্মীদের কাজে লাগিয়েছে। একই সঙ্গে রাই আরও জানান, সম্প্রতি জমি খোঁড়ার সময়ে পুরনো সৌধের জায়গা থেকেই একটি ৪ ফুট ১১ ইঞ্চি মাপের শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ওই জমির তলা থেকে প্রাচীন মন্দিরের নানা নিদর্শন ও দেবদেবীর মূর্তি মেলে বলে দাবি করা হয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, সনাতন ধর্মের উপর যুগে যুগে বহু ঝড়ঝাপটা এলেও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ অনেক সময় মাথা নত করেছে হিন্দু মন্দিরের সামনে। আবার অনেক সময় প্রকৃতির রুদ্ররোষের কাছে হার মেনেছে প্রতিরোধ। কিন্তু এসব কিছুই টলাতে পারবে না অযোধ্যার ঐতিহাসিক রাম মন্দিরকে। এমনটাই দাবি রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের। তিনি জানিয়েছেন, রাম মন্দিরকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। তাতে খুব শক্তপোক্ত হবে পবিত্র নির্মাণ। যার ফলে কোনও বড় ধরনের ভূমিকম্পও অনায়াসে সহ্য করে নিতে পারবে বলে দাবি তাঁর।

[আরও পড়ুন: শিল্পীর সৃষ্টিতে ত্রাতা বিঘ্নহর্তা, ডাক্তাররূপী গণেশ করোনা রোগীদের চিকিৎসায় মগ্ন]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.