Anti-Conversion Law

মণিপুরের পর এবার আগুন অরুণাচলে! ৪৬ বছরের পুরনো আইন ঘিরে পথে যুযুধান দুই গোষ্ঠী

বিজেপি সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএসের সংগঠন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৫, ২১:০৮

options
link
মণিপুরের পর এবার আগুন অরুণাচলে! ৪৬ বছরের পুরনো আইন ঘিরে পথে যুযুধান দুই গোষ্ঠী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মণিপুরের পর কি উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও একটি রাজ্যে আগুন জ্বলতে চলেছে! অরুণাচল প্রদেশের পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা। ৪৬ বছরের পুরনো ধর্মান্তরণ বিরোধী আইন নিয়ে একপ্রকার সম্মুখসমরে খ্রিস্টান এবং হিন্দু জনজাতি সংগঠন।

Advertisement

অরুণাচলে ধর্মান্তরণ প্রতিরোধ আইন পাশ হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। কিন্তু তার পর থেকে কোনও সরকারই সেই আইনের ‘বিধি’ তৈরি করেনি। আরএসএসের জনজাতি সংগঠন ‘বনবাসী কল্যাণ আশ্রম’ দীর্ঘদিন ধরে এই আইন কার্যকর করার দাবি জানিয়ে আসছে। সংঘের ওই সংগঠনের দাবি, ধর্মান্তরণ প্রতিরোধ আইন কার্যকর হয়ে গেলে আদিবাসীদের ধর্মান্তরণ রুখে দেওয়া যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত প্রায় সাড়ে ৯ বছর অরুণাচল প্রদেশে বিজেপির সরকার। কিন্তু সংঘের অনুকুলের সরকার থাকা সত্ত্বেও ধর্মান্তরণ প্রতিরোধ আইন এখনও উত্তর-পূর্বের রাজ্যটিতে কার্যকর হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে পেমা খাণ্ডুর সরকার অরুণাচল শাসন করছে। মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করা সত্ত্বেও বাস্তবে এই আইনের বিধি তৈরি হয়নি। কিন্তু, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটি হাই কোর্টের ইটানগর বেঞ্চ আগামী ৬ মাসের মধ্যে ওই আইনের ‘বিধি’ প্রণয়ন করার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে সরকারের উপর চাপ বাড়ছে।

Advertisement

আদালতের রায়ের পর অরুণাচলের খ্রিস্টানদের সংগঠন অরুণাচল খ্রিস্টান ফোরাম ইটানগরে একদফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ওই সংগঠনের সভাপতি তারাহ মিরির দাবি, দুলক্ষের বেশি সংখ্যালঘু এই আইন কার্যকর করার বিরোধিতায় পথে নেমেছিলেন। তাঁদের দাবি, এই আইন কার্যকর হয়ে গেলে খ্রিস্টানদের ক্ষতি হবে। পালটা পথে নামছে সংঘের সংগঠন ‘বনবাসী কল্যাণ আশ্রম’ও। পালটা ওই আইন কার্যকর করার দাবিতে সরব তারা। সংঘের সংগঠন কার্যত বিজেপি সরকারের উপরই চাপ সৃষ্টি করছে যাতে দ্রুত ওই আইনের বিধি প্রণয়ন করা হয়। যদিও সরকার অশান্তির ভয়ে এখনও কোনও পদক্ষেপ করতে পারেনি। পেমা খাণ্ডু যদিও আশ্বস্ত করছেন, ওই আইন কার্যকর হবেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.