সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৬০ কেজি রুপোয় ঠাসা একটি ঘর, এক কেজি সোনা আর ২০ লক্ষ নগদ টাকা৷ অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টারের এক সড়ক পরিবহণ দফতরের কর্মীর বাড়িতে হানা দিয়ে ‘মাত্র’ এই কয়েকটি জিনিস পাওয়া গিয়েছে৷ ১৪ টি বাড়িও রয়েছে তাঁর৷ তবে এ আর এমন কী! দুর্নীতি দমন শাখার অনুমান, এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু গচ্ছিত আছে এই কর্মীর গোপন ‘সিন্দুক’-এ৷
১৯৮১ সালে মোটর ভেহিকল ইন্সপেক্টর হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন পূর্ণচন্দ্র রাও৷ তারপর চলে আসেন সড়ক পরিবহণ দফতরে৷ দীর্ঘ ৩৪ বছরের চাকরিতে দিনের পর দিন কালো টাকা আত্মসাৎ করেছেন৷ আর সেই টাকা লুকিয়ে রাখতে কখনও বাড়ি কিনেছেন তো কখনও ঘর ভর্তি করেছেন সোনা-রুপো দিয়ে৷ তখন ভাবতেও পারেননি, এমনভাবে তাঁর কুকীর্তি একদিন ফাঁস হয়ে যাবে৷ দুর্নীতি দমন শাখার তরফে খবর, ৫৫ বছরের পূর্ণচন্দ্র রাওয়ের বিনুকোন্দায় সাতটি অ্যাপার্টমেন্ট ও দু’টি বাড়ি এবং একটি শস্য তৈরির কারখানা রয়েছে৷ এছাড়াও গুন্টারে একটি বাড়ি, হায়দরাবাদ ও বিজয়ওয়াড়াতে দু’টি করে ফ্ল্যাট আছে এই ব্যক্তির৷ তিনি প্রায় তিন কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক বলে দাবি গোয়েন্দাদের৷ পাশাপাশি বাড়ি তল্লাশি করে যা পাওয়া গিয়েছে, তার মূল্য ২৫ কোটির চেয়ে কম হবে না বলেই অনুমান তাঁদের৷ তল্লাশি চালালে আরও সম্পত্তি উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে নিশ্চিত তাঁরা৷
পূর্ণচন্দ্র রাওয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল৷ সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সোমবার তাঁর বাড়িতে হানা দেন দুর্নীতি দমন শাখার গোয়েন্দারা৷ তখনই হদিশ মেলে তাঁর গোপন সম্পত্তির৷ তাঁর বিরুদ্ধে হিসাব বহির্ভূত আয়ের সম্পত্তি রাখার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷
সর্বশেষ খবর
-
‘আমরা আসছি’, ভারত সফরের আগে সোশাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তা ব্রাজিল দলের
-
প্রোমোটারের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ! কনস্টেবলকে হাতেনাতে ধরল দুর্নীতি দমন শাখা
-
বাংলার পর অসমের মামলাতেও জামিন, ১৩ বছর পর বিরাট স্বস্তিতে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন
-
পুকুরে ভেসেই কাটছিল জীবন! অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে মুম্বইয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে মুর্শিদাবাদের সেই ইকবাল
-
এবার রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসর করবে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর! বড়সড় ইঙ্গিত মন্ত্রীর