RSS

‘রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হবে’, কেন্দ্রের জাতগণনা নিয়ে ‘উদ্বিগ্ন’ আরএসএস

জাতগণনায় ধাক্কা খেতে পারে অখণ্ড হিন্দু সমাজের সংকল্পও, মনে করছে সংঘ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৫, ১৪:২৯

options
link
‘রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হবে’, কেন্দ্রের জাতগণনা নিয়ে ‘উদ্বিগ্ন’ আরএসএস

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধীদের প্রবল চাপের মুখে জাতিগত জনগণনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। কিন্তু মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি সমর্থন করে উঠতে পারছে না আরএসএস। সংঘ মনে করছে, জাতিগত জনগণনা হিন্দু ঐক্যের জন্য ‘বিপদ’ হতে পারে। আবার এটাকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসাবেও ব্যবহার করা হতে পারে।

Advertisement

বুধবারই জাতিগত জনগণনার সিদ্ধান্তে শিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। পহেলগাঁও হামলার আবহে বুধবার মন্ত্রিসভার একাধিক কমিটির বৈঠক ছিল। বৈঠক ছিল রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটিরও। সেই বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “মন্ত্রিসভার রাজনীতি বিষয়ক কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আগামী জনগণনার অংশ হবে জাতি গণনা।” অর্থাৎ আদমশুমারির সময় মোট জনসংখ্যার মধ্যে কোন জাতির সংখ্যা কত, কোন সম্প্রদায়ের মধ্য়ে কত উপজাতি রয়েছে, তা গণনা করা হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আরএসএস সক্রিভাবে এই পদক্ষেপ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও সংঘ সূত্রের খবর, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান আরএসএসের একটা বড় অংশ। সংঘ মনে করছে, এত বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার আগে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া উচিত ছিল। এবার এটা রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে। এই মুহূর্তে আরএসএস হিন্দুদের একত্রিত করার লক্ষ্যে দেশজুড়ে ‘সামাজিক সমরাস্ত’ অভিযান চালাচ্ছে। আরএসএসের আশঙ্কা সংরক্ষিত শ্রেণির মধ্যেও যদি উপজাতি ভাগ করে দেওয়া হয়, তাহলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টাটা ধাক্কা খেতে পারে। তবে সরকারিভাবে এই পদক্ষেপের বিরোধিতাও করতে পারছে না সংঘ। সেক্ষেত্রে দলিত -আদিবাসীদের কাছে টানার চেষ্টায় ধাক্কা লাগতে পারে।

Advertisement

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বরে আরএসএস সরকারিভাবে জানিয়ে দিয়েছিল, জাতিগত জনগণনার মাধ্যমে সব জাতির প্রতিনিধিত্বের সংখ্যা জানতে বিশেষ আপত্তির জায়গা নেই। কিন্তু সেই তথ্য যেন রাজনৈতিকভবে ব্যবহৃত না হয়। সংঘের মুখপাত্র সুনীল আম্বেকর সেসময় জানান, ‘জাতিগণনা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। সরকারের উচিত তথ্য জানার উদ্দেশ্যে জাতগণনা করা। তবে জাতপাতের প্রতিক্রিয়া আমাদের সমাজে একটি সংবেদনশীল বিষয়। জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। রাজনৈতিক স্বার্থে কোনওভাবেই এই কাজ করা উচিত নয়। শুধুমাত্র মানুষের উন্নয়নের স্বার্থেই জাতগণনা প্রয়োজন।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন