Army

সীমান্তে শত্রুকে ধ্বংস করবে ‘রুদ্র’ ও ‘ভৈরব’, সময়ের দাবি মেনে ‘অল আর্মস ব্রিগেড’ সেনার

কী বিশেষত্ব নয়া এই ব্রিগেডের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৫, ২১:০৪

options
link
সীমান্তে শত্রুকে ধ্বংস করবে ‘রুদ্র’ ও ‘ভৈরব’, সময়ের দাবি মেনে ‘অল আর্মস ব্রিগেড’ সেনার

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবার বিবর্তনের পথে হাঁটল ভারতীয় সেনা। সীমান্তে শত্রুকে ধ্বংস করতে দিতে তৈরি করা হল নতুন ব্রিগেড। নয়া এই ব্রিগেডের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রুদ্র’। পাশাপাশি গঠিত হয়েছে ‘ভৈরব’ নামের নতুন এক স্পেশাল ফোর্স। শনিবার কারগিল দিবসের দিনে এই নতুন ব্রিগেডের ঘোষণা করলেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

Advertisement

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতিরও বদল হয়েছে। তাই সময়ের দাবি মেনে আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সীমান্তে মোতায়েন হচ্ছে সেই ব্রিগেড। নতুন এই বাহিনী সীমান্তে পাক ও চিনা শত্রুর মোকাবিলা করবে। সেনাপ্রধান জানান, বর্তমান সময়ে ভারতীয় সেনা সমস্ত প্রতিকূলতাকে কাটিয়ে উঠেছে। ফলে আমাদের সেনাকে আরও আধুনিক করা হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই অল আর্মস ব্রিগেড ও নয়া স্পেশাল ফোর্স ইউনিট। নয়া রুদ্র ব্রিগেডের বিশেষত্ব হল, এতে থাকছে সমস্ত রকম ইউনিট। যেমন, ইনফ্যান্ট্রি (পদাতিক বাহিনী), আর্মড ইউনিট (ট্যাঙ্ক ও ভারী অস্ত্র), আর্টিলারি (কামান ও অন্যান্য), মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রি (সাঁজোয়া যানে সজ্জিত), স্পেশাল ফোর্স ও আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম (ড্রোন)। সীমান্তে কোনওরকম আক্রমণ হলে শত্রুকে তছনছ করে দিতেই প্রস্তুত করা হয়েছে বিশেষ এই ব্রিগেড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে, ‘ভৈরব’ নামের নতুন এক স্পেশাল ফোর্সও মোতায়েন করা হবে সীমান্তে। সীমান্তে বিপদ বুঝলে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে শত্রুকে নিকেশ করাই এই বাহিনীর লক্ষ্য। হালকা অস্ত্র ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই বাহিনী পাহাড় ও জঙ্গলে লড়াই চালাতে বিশেষভাবে দক্ষ। এদের কাছে থাকবে MP5 সাবমেশিন গান, দেশীয় ড্রোন বোমার মতো অস্ত্র। রাতে বা কুয়াশার মধ্যে শত্রুর উপর হামলা চালাতে এই বাহিনীকে দেওয়া হবে বিশেষ প্রশিক্ষণ। এদের কাজ হবে সীমান্ত যুদ্ধে শত্রুর সরবরাহ লাইন ভেঙে দেওয়া এবং নিখুঁতভাবে শত্রুঘাঁটি ধ্বংস করা। নয়া এই ইউনিট ভারত-পাক সীমান্ত (LOC) এবং ভারত-চিন (LAC) সীমান্তের নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.