ইন্দো-মার্কিন চুক্তি
India-US Trade Deal

ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সুফল, বাড়ল টাকার দাম, চাঙ্গা শেয়ার সূচকও

এর পর গভীর রাতে ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা হতেই আরও ১.২ শতাংশ শক্তি বাড়ল টাকা। মঙ্গলবার ডলার ১.০৯ টাকা পড়ে হল ৯০.৪০ টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৬:৩২

options
link
ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সুফল, বাড়ল টাকার দাম, চাঙ্গা শেয়ার সূচকও
প্রতীকী ছবি।

সোমবার বাজেটের পরের দিন চাঙ্গা হয়েছে শেয়ার বাজার। একই সঙ্গে বাড়ে ডলারের নিরিখে টাকার দাম। গতকাল ডলার ৪৪ পয়সা পড়ে হয় ৯১.৪৯ টাকা। এর পর গভীর রাতে ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি (India-US Trade Deal) ঘোষণা হতেই আরও ১.২ শতাংশ শক্তি বাড়ল টাকা। মঙ্গলবার ডলার ১.০৯ টাকা পড়ে হল ৯০.৪০ টাকা।

Advertisement

সোমবার ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর সেনসেক্স ৩,৬০০ পয়েন্টের বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। একইভাবে বাজেটের পরে পরে ক্ষতিগ্রস্ত নিফটি সোমবারের ২৫,০৮৮.৪০-এর বন্ধ হওয়ার পর এদিন ১,২০০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, দীর্ঘ টালবাহানা শেষে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। ভারতের উপর শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করেছে আমেরিকা। এর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু শর্তে মন গলল ট্রাম্পের? গতকাল তা নিজেই জনিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে দিল্লি। পরিবর্তে আমেরিকার থেকে তেল কিনবে ভারত। এছাড়াও আমেরিকা থেকে ৪৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৬২২ কোটি টাকার পণ্যও ভারত কিনবে বলে কথা দিয়েছেন মোদি। এই শর্তেই নাকি ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়টিকে সামনে এনে কটাক্ষ করছে কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলগুলি।

Advertisement

দীর্ঘ টালবাহানা শেষে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা হয় ট্রাম্পের। এই আলাপচারিতার কথা ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ হ্যান্ডলে পোস্ট করেন ট্রাম্প। সেখানে তিন দাবি করেন, “তিনি (মোদি) রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন। আমেরিকার কাছ থেকে আরও অনেক বেশি তেল কিনবে ভারত। সম্ভবত ভেনেজুয়েলার কাছ থেকেও ভারত বেশি করে তেল কিনবে।” উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে অবহরণ করার পর ভেনেজুয়েলার তেলের ভাণ্ডার এখন আমেরিকার দখলে। অর্থাৎ, কিনা মার্কিন বাণিজ্য স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই দিল্লির সঙ্গে চুক্তির পথে এগোলেন ট্রাম্প।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.