সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের উদ্বেগ বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই ভারতকে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম দিতে সচেষ্ট রাশিয়া (Russia)। এমনটাই জানিয়েছেন রাশিয়ান ডেপুটি চিফ অফ মিশন রোমান বাবুশকিন।
[আরও পড়ুন: এস-৪০০ মিসাইল চুক্তির জের, ফাটল ধরছে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কে]
বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাবুশকিন জানিয়েছেন, নয়াদিল্লির সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরের পথে হাঁটছে মস্কো। একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি প্রজেক্টের আওতায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য ২০০টি Kamov Ka-226T হেলিকপ্টার যৌথভাবে তৈরি করবে ভারত ও রাশিয়া। এদিন, ভারত-আমেরিকা Basic Exchange and Cooperation Agreement (BECA) চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, অত্যন্ত কৌশলের সঙ্গে বাবুশকিন স্পষ্ট করে দেন যে, কোনও তৃতীয়ও পক্ষের হস্তক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞা ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারবে না। তিনি বলেন, “কৌশলগত ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের দিকে নজর রেখেছি আমরা। তবে আমরা বিশ্বাস করি যে সেই সম্পর্ক ভারত-রাশিয়ার মধ্যে থাক সম্পর্কে কোনও প্রভাব ফেলবে না।”
উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ভারতের আকাশকে অভেদ্য করে তুলতে অত্যাধুনিক এস-৪০০ (S-400) মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ভারত। ভূমি থেকে বায়ুতে আঘাত হানতে সক্ষম এস-৪০০কে রাশিয়ার সবচেয়ে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বলে মনে করা হয়। ২০১৪ সালে প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার থেকে এস-৪০০ কেনার চুক্তি করে চিন। তারপরই প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পড়শিদের বাগে আনতে প্রয়োজন এস-৪০০। পাকিস্তানের কাছে প্রায় ২০ স্কোয়াড্রন মার্কিন এফ-১৬ বিমান রয়েছে। চিনের থেকেও বিপদের আশঙ্কা দিন-দিন বাড়ছে। ফলে দেশের সুরক্ষায় এই হাতিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
[আরও পড়ুন: লাদাখ সীমান্তে শান্তি ফেরাতে নবনির্মিত সামরিক পরিকাঠামো সরাতে রাজি ভারত-চিন]
সর্বশেষ খবর
-
রামায়ণের রাজা জনকের কুলদেবী এই দুর্গা, নেপালের মন্দিরে পুজো হয় তন্ত্র মতে, কেন জানেন?
-
সরকারি চাকরি পেয়েছে বন্ধুরা! অবসাদে চরম সিদ্ধান্ত ‘বেকার’ তুফানের
-
এশিয়াড সেলিংয়ে রুপো থেকে স্কোয়াশে ব্রোঞ্জ, দ্বাদশ দিনের শেষে পদক তালিকায় কোথায় ভারত?
-
শিরে সংক্রান্তি নেপালের! ৪ হিমবাহ হ্রদের জল কমানোর কাজ শুরু, বিপজ্জনক আরও ১৭
-
ছেলে পহেলগাঁও হামলায় ‘শহিদ’, উমার উপরে ভরসা হারিয়েছেন সন্তানহারা মা