Sabarimala Gold Theft Case

সোনিয়ার ‘ছত্রছায়ায়’ শবরীমালার সোনা ‘চোর’! ছবি-সহ বিস্ফোরক কেরলের মুখ্যমন্ত্রী

এই সাক্ষাৎ করানোর নেপথ্যে কারা? প্রশ্ন বিজয়নের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
সোনিয়ার ‘ছত্রছায়ায়’ শবরীমালার সোনা ‘চোর’! ছবি-সহ বিস্ফোরক কেরলের মুখ্যমন্ত্রী
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শবরীমালা মন্দিরের সোনা চুরি মামলায় এবার বিস্ফোরক কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের। সম্প্রতি এই মামলায় মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণণ পত্তির সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। এবার সেই ছবিতেই ইউডিএফের আহ্বায়ক তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ আদুর প্রকাশের উপস্থিতি নিয়ে সুর চড়ালেন বিজয়ন। তাঁর প্রশ্ন, কীভাবে এইসব অভিযুক্তরা উচ্চ নিরাপত্তায় থাকা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান?

Advertisement

সম্প্রতি এই ইস্যুতে কংগ্রেসকে কড়া সুরে আক্রমণ শানিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, ”কীভাবে ওরা দেশের সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তাপ্রাপ্ত নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বাড়ি পৌঁছেছিল? এই বিষয়টার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত ওদের। এই সাক্ষাতে এদের ভূমিকা কী ছিল? এবং কারা এই সাক্ষাৎ করানোর নেপথ্যে ছিল? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।” বিজয়ন বলেন, প্রকাশ্যে আসা ওই ছবিতে আদুর প্রকাশ এবং পাথানমথিত্তার সাংসদ আন্তো অ্যান্টনি রয়েছেন। এছাড়া ছবিতে রয়েছেন এই মামলার মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণণ পত্তি এবং অন্যজন সেই ব্যক্তি যিনি চুরির সোনা কিনেছিলেন বলে অভিযোগ। এরপরই সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে বিরোধীদের এইসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, শবরীমালার সোনাচুরির ঘটনা (Sabarimala Gold Theft Case) ২০১৯ সালের। সেসময়ে মন্দিরের বিগ্রহ এবং দরজার সোনার আবরণ মেরামতির জন্য সেগুলিকে কেরল থেকে তামিলনাড়ুতে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, সেসময় প্রায় ৪ কেজি সোনা উধাও হয়ে যায়। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, সেই সোনাচুরির মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণণ পত্তি। তিনি বিগ্রহ মেরামতির কাজে সাহায্য করছিলেন। ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই মন্দিরের দ্বারপালক মূর্তি এবং দরজার সোনার আবরণ খোলা হয়েছিল। সেই সময় সোনার ওজন ছিল ৪২.৮ কেজি। পরে উন্নিকৃষ্ণণ পত্তির হাত ধরে সোনা যায় চেন্নাইয়ের এক সংস্থায়। কিন্তু সেই সোনা চেন্নাইয়ে পৌঁছোয় ৩৯ দিন পর। সেসময় ওজন করে দেখা যায় ৪.৫৪ কেজি সোনা উধাও। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই সোনা সরাসরি চেন্নাইয়ে যায়নি। নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কেরলের কোট্টায়াম মন্দির, অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকটি মন্দির, বেঙ্গালুরুর আয়াপ্পা মন্দিরে। মালয়ালম অভিনেতা জয়রামের বাড়ির পুজোতেও সোনার আবরণ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাতেই মাঝপথে এই বিপুল সোনা উধাও হয়ে যায়। মূল অভিযোগ ওই উন্নিকৃষ্ণণ পত্তি এবং গোবর্ধন নামের এক সোনা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

Advertisement

এই কাণ্ডের তদন্তে ইতিমধ্যেই সিট গঠন করেছে কেরল হাই কোর্ট। আগামী ছ’সপ্তাহের মধ্যে তারা সিটকে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। ইতিমধ্যে পত্তি, গোবর্ধনকে গ্রেপ্তার করেছে সিট। কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, মন্দিরের এই সোনাচুরির সঙ্গে সরাসরি যোগ থাকতে পারে সোনিয়া গান্ধীর। কারণ এক সময় সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল উন্নিকৃষ্ণণ পত্তির। এদিকে এই মামলার বিশেষ তদন্তকারী দলের উপর কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। সে অভিযোগ স্পষ্টভাষায় খারিজ করে দেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রাক্তন মন্ত্রী এবং সিপিআই(এম) নেতা কাদাকম্পল্লি সুরেন্দ্রনকে তদন্তকারীরা গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে কংগ্রেসের দাবি খারিজ করেছেন বিজয়ন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন