সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের (Bihar) জাতিগত সমীক্ষার দ্বিতীয় রিপোর্ট প্রকাশিত হল। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের ৩৪ শতাংশ পরিবারের মাসিক আয় ৬ হাজার টাকার কম। তাছাড়াও তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি পরিবারের ৪২ শতাংশই দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন। পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোর মধ্যেও ৩৩ শতাংশই দরিদ্র, এমনটাই জানা গিয়েছে বিহারের জাতিগত সমীক্ষার রিপোর্টে। প্রসঙ্গত, বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
মঙ্গলবার বিহার বিধানসভায় পেশ হয়েছে জাতিগত সমীক্ষার দ্বিতীয় রিপোর্ট। সেখানেই বলা হয়, রাজ্যের পরিবারগুলোর এক তৃতীয়াংশই মাসিক ৬ হাজার টাকারও কম। তফসিলিদের ৪২ শতাংশ পরিবারই বাস করেন দারিদ্র্যসীমার নীচে। শিক্ষার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে, তফসিলি জাতিভুক্ত পড়ুয়াদের মধ্যে ৬ শতাংশেরও কম দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা শেষ করেছেন।
[আরও পড়ুন: এলাহাবাদ, ফৈজাবাদের পর এবার আলিগড়! যোগীরাজ্যে তুঙ্গে নাম বদলের রাজনীতি]
জাতিগত সমীক্ষার রিপোর্ট থেকে বিহারের সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজ্যের ৩৪.১৩ শতাংশ মানুষের মাসিক আয় ৬ হাজার টাকার কম। ২৯.৬১ শতাংশ মানুষের আয় প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা। এছাড়াও ২৮ শতাংশ মানুষের মাসিক আয় ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। বিহারের মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকার বেশি আয় করেন।
প্রসঙ্গত, গত মাসেই প্রকাশিত হয়েছে বিহারের জাতিগত জনগণনার (Caste Census) ফলাফল। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, বিহারের জনসংখ্যার ৬৩ শতাংশ অনগ্রসর শ্রেণি সম্প্রদায়ের। তার মধ্যে ৩৬ শতাংশই অত্যধিক অনগ্রসর শ্রেণিভুক্ত। অসংরক্ষিত অন্তর্গত রয়েছেন ১৫ শতাংশ জনতা। এছাড়াও তফসিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ১৯ শতাংশ। এই গণনাকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের অধিকাংশ বিরোধী দল। তবে বিজেপির তরফে বারবার এই গণনার বিরোধিতা করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ভোট ভুলে বিষ গ্যাসেই ডুবে ভোপাল! আজও সুস্থ শিশুর জন্ম বিরল]
সর্বশেষ খবর
-
নিজের মন্ত্রক থেকেই কোটি টাকার ভরতুকি নিলেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ‘দুর্নীতির নতুন পথ’, বলছে বিরোধীরা
-
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই অ্যাকশন! বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার ১
-
এলেন-দেখলেন-জয় করলেন…., ফ্রিকিকে মেসি ম্যাজিক, জর্ডনকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
-
আমেরিকার হামলার বদলা! কুয়েত-বাহরিনের মার্কিন ঘাঁটিতে গোলাবর্ষণ ইরানের, কী বললেন ট্রাম্প?
-
‘কলকাতা বইমেলা একটি সংগঠনের নয়’, প্রাঙ্গণ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে উদ্যোগী সংঘ