এখনও কেরলের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। তার আগেই কেরলের নামবদলের (Kerala Name Change) প্রস্তাবে ছাড়পত্র কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের। আর এরপরই কেন্দ্রকে বিঁধলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনি দাবি করলেন, কেরলের নাম এমনিতেই মালয়ালমে কেরলম। সুতরাং আলাদা করে ইংরেজিতেও সেই নাম নিয়ে আসার অর্থ কী! পাশাপাশি তাঁর দাবি, কেন্দ্র দক্ষিণের এই রাজ্যকে আলাদা করে কোনও প্রকল্প দেয় না। অথচ নামবদলের প্রস্তাবে সায় দিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এদিন থারুর বলেছেন, ”ইতিমধ্যেই মালয়ালমে ‘কেরলম’ রয়েছে। তাই এখন, একটি মালায়লাম শব্দ ইংরেজিতে এনে আমি জানি না কী লাভ হবে! সরকার আমাদের একটা AIIMS বা নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান দেয়নি। কেন্দ্রীয় বাজেটে আমাদের কোনও প্রকল্পও দেয়নি। অথচ যখন নাম পরিবর্তনের কথা এল, তখন তারা এটি অনুমোদন করতে ইচ্ছুক হয়ে গেল!” শশীর এহেন আক্রমণকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সাম্প্রতিক অতীতে কেন্দ্রের সমালোচনা নয়, বরং ঠারেঠারো সমর্থনই জানিয়েছেন তিনি। কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরই কি ‘স্টান্স’ বদলালেন শশী? উঠছে প্রশ্ন।
কিন্তু হঠাৎ কেন কেরলের নাম বদলের চেষ্টা? আসলে দীর্ঘদিন আগেই নাম বদলাতে চেয়ে প্রস্তাব পাশ করেছে কেরল বিধানসভা। সেই প্রস্তাবের মূল দাবি, রাজ্যের নাম পালটে রাখতে হবে কেরলম। কারণ এই নামে রাজ্যের প্রধান ভাষা মালয়ালমের ছোঁয়া রয়েছে। রাজ্যের নামের সঙ্গে সেখানকার ভাষা এবং সংস্কৃতির যোগ থাকা খুবই জরুরি। এই মর্মে দু’বার প্রস্তাব পাশ করেছে কেরল বিধানসভা। প্রথমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছিল, নাম বদলের প্রস্তাবে কিছু টেকনিক্যাল বিষয় রাখা প্রয়োজন। সেগুলি মেনেই ২০২৪ সালের ২৫ জুন পাশ হয় দ্বিতীয় প্রস্তাবটি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ডিজিটাল ভারতের সাফল্যের মূল্য যেন সাধারণ মানুষকে চোকাতে না হয়!
-
গৃহহীন এখনও ২৩ লক্ষ, রাজ্যে সময়মতো ‘আবাস প্লাস’ সমীক্ষা শেষ করতে চালু সেলফ সার্ভে
-
মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি! কেশপুরে যাওয়ার পথে কোলাঘাটে জরুরি অবতরণ
-
ট্রাইব্যুনালে কত নিষ্পত্তি? এসআইআর মামলায় কমিশনের কাছে তথ্য তলব সুপ্রিম কোর্টের
-
বন্ধু হেমন্ত, নাকি আন্দোলনরত পড়ুয়া! সমর্থনের ধর্ম সংকটে মধ্যবর্তী রাস্তা নিলেন কেজরিওয়াল