এসআইআর (SIR in West Bengal) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলার শুনানি হওয়ার কথা বুধবার। তাতে ইন পার্সন বা জনতার হয়ে নিজে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে তার আগে তিনি শীর্ষ আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করলেন। নয়া মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জি, অবিলম্বে ভোটারদের নাম বাতিলের প্রক্রিয়াটি বন্ধ করা হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি অর্থাৎ স্রেফ নামের বানানের জন্য যাঁদের শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে, সেসব নোটিস তুলে নেওয়া হোক। আবেদনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও বক্তব্য, এখনও ৬০ লক্ষ শুনানি বাকি। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। তাই অযথা নামের বানান সংক্রান্ত জটিলতা এড়ানো হোক। এছাড়া তৃণমূল সুপ্রিমোর আরও আবেদন, যে সব ভোটারের বিরুদ্ধে ফর্ম-৭ জমা পড়েছে, তাঁদের নাম অনলাইনে প্রকাশ করা হোক। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সব মাইক্রো অবজারভারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হোক বলেও আবেদন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
এই বিষয়ে আরও খবর
নয়া মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জি, অবিলম্বে ভোটারদের নাম বাতিলের প্রক্রিয়াটি বন্ধ করা হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি অর্থাৎ স্রেফ নামের বানানের জন্য যাঁদের শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে, সেসব নোটিস তুলে নেওয়া হোক।
বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চে তৃণমূলের দায়ের করা মামলার শুনানি। একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা এবং কবি জয় গোস্বামীর মামলারও শুনানি হওয়ার কথা। মামলার নম্বর অনুযায়ী শুনানি হবে। আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি সুপ্রিম কোর্টে নিজে উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের হয়ে সওয়ালও করবেন। সেই পরিস্থিতিতে বুধবার সকাল ঠিক ১০টায় সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী।
সূত্রের খবর, তিনি এদিনও নতুন করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাতে একাধিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক একনজরে –
- ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট হোক।
- লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সিতে স্রেফ নামের বানান ভুলের জন্য কোনও ভোটারকে যাতে শুনানির নোটিস পাঠানো না হয়, সেইমতো ERO, AERO, DEO, BLO-দের লিখিত নির্দেশ দেওয়া হোক।
- নির্বাচন কমিশন যেন সেসব নোটিস প্রত্যাহার করে নেয়।
- DEO, CEO যেন প্রয়োজনে অনলাইন শুনানি করেন।
- ২০০২ সালের তালিকা অনুযায়ী ম্যাপিং ঠিকমতো যাঁরা করেননি, তাঁদের ফের সুযোগ দেওয়া হোক।
- নির্বাচন কমিশন যেন তথ্য হিসেবে আধার কার্ড গ্রহণ করে।
- ফর্ম ৭ জমা দেওয়া বন্ধ হোক, যাঁরা এই ফর্মে অভিযোগ জানাচ্ছেন, শুনানিতে তাঁরা যেন হাজির থাকেন।
- বাংলা থেকে প্রত্যাহার করা হোক মাইক্রো অবজার্ভারদের।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
সিআইডি সেজে ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্য রাস্তা থেকে অপহরণ করে ডাকাতি, তদন্তে পুলিশ
-
‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচির সেনা দপ্তর, চলল গুলি, মৃত্যু তিন পাক সেনার
-
লেনিন নয়, হৃদয় সম্রাট শিবাজি! ‘লাল’ যাদবপুরে পালিত ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিবস’
-
লিঙ্কডিনে ফুটবলার খুঁজে বিশ্বকাপের নকআউটে! কেপ ভার্দের স্বপ্নের সওদাগর যে মানুষটা
-
জীবিকা হারানো হকারদের এককাট্টা করে আন্দোলনের প্রস্তুতি ‘কালীঘাট তৃণমূলের’, ফের পথে মমতা!



