Haryana

IAS কন্যাকে হেনস্তায় অভিযুক্ত বিজেপি সাংসদের পুত্র, তাকেই এএজি পদে বসাল হরিয়ানা

পাঁচমাস হাজতবাসের পর জামিন পেয়েছে সাংসদপুত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৫, ১৬:০৮

options
link
IAS কন্যাকে হেনস্তায় অভিযুক্ত বিজেপি সাংসদের পুত্র, তাকেই এএজি পদে বসাল হরিয়ানা
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৭ সালে ডিজে বর্ণিকা কুণ্ডুকে হেনস্তা মামলায় অভিযুক্ত, বিজেপি নেতার ছেলে বিকাশ বারালাকে হরিয়ানায় সহকারি অ্যাডভোকেট জেনারেল (এএজি) হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। ডেপুটি এজি, অতিরিক্ত এজি এবং অন্যান্য সহকারী এজি পদে ৮০টিরও বেশি নিয়োগের সঙ্গে বিতর্কিত বিকাশ বারালার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁকে দিল্লির এজেন্সির অফিসে সহকারী অ্যাডভোকেট জেনারেল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বিকাশ বারালা বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ এবং হরিয়ানায় দলের প্রাক্তন প্রধান সুভাষ বারালার ছেলে। সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, এই খবর প্রকাশ হতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি বিকাশ। হরিয়ানার এজি প্রবীন্দ্র চৌহানও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

Advertisement

২০১৭ সালের একটি ঘটনা ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। রাতে চণ্ডীগড়ের হাইওয়ে দিয়ে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এক আইএএস অফিসারের মেয়ে বর্ণিকা। ৪ আগস্ট রাতে বর্ণিকা যখন কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সেই সময় তাঁর পিছু নেন বিকাশ ও তাঁর বন্ধু। ওই তরুণীর কথায়, হঠাৎ তিনি দেখেন, একটি গাড়িতে দুই যুবক তাঁকে অনুসরণ করছে। গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন তিনি। ওই যুবকরাও তাদের এসইউভি-র গতি বাড়ায়। বর্ণিকা জানান, কখনও গাড়ি টপকে, কখনও গাড়ির পিছনে এমনভাবে আসছিল ওই যুবকরা, মনে হচ্ছিল এখনই ধাক্কা মারবে।

Advertisement

ফেসবুকে তরুণী লেখেন, “গাড়ি চালাতে চালাতেই পুলিশকে ফোন করছিলাম আমি। ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল, আর বোধহয় বাড়ি ফেরা হবে না। অপেক্ষা করছিলাম কখন পুলিশ আসবে।” তিনি আরও লেখেন, “ভাগ্য ভালো যে আমি কোনও সাধারণ ঘরের মেয়ে নই। না হলে এতক্ষণে আমাকে ধর্ষণের পর খুন করে কোথাও দেহ ফেলে দেওয়া হত!” এরপর তদন্তে উঠে আসে চণ্ডীগড়ের বিজেপি সভাপতি সুভাষ বারালার ছেলে বিকাশ বারালা ও তার এক বন্ধুর নাম।

এই ঘটনায় প্রথমে পুলিশ বিকাশকে গ্রেপ্তার করলেও, ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ছেড়ে দেয়। এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। সমালোচনার মুখে নড়েচড়ে বসে বিজেপিও। অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করে পুলিশ। জেল হয় বিকাশের। দীর্ঘ পাঁচমাস হাজতবাসের পর অবশেষে জামিন পান বিকাশ। তবে বিকাশের জামিনের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বর্ণিকাকে থানায় ডেকে প্রায় টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্রের খবর, তাঁকে প্রায় পাঁচশোর মতো প্রশ্ন করা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.