সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেনার সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই জড়িয়েছিলেন বিতর্কে। এবার আরও বিপাকে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সপা নেতা আজম খান। ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে দু’টি মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার হজরতগঞ্জে একটি ও রামপুরের সিভিল লাইনস পুলিশ স্টেশনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
[প্রকাশ্যে এল জিএসটি ধার্য করা প্রথম বিল, জানেন কত কর চাপল?]
এর আগে সেনা জওয়ানদের সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন আজম খান। বলেছিলেন, ‘একদিকে সীমান্তে লড়াই চলছে, অন্যদিকে মহিলারা সেনা জওয়ানদের মারছেন। নিশ্চয়ই কিছু ঘটেছে, এই ঘটনা কিন্তু আমাদের সেটাই ভাবতে বাধ্য করছে।’ এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, ‘সশস্ত্র মহিলারা এসে ভারতীয় সেনার যৌনাঙ্গ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এর অর্থ হল তাদের জওয়ানদের শরীরের ওই অঙ্গটি নিয়ে অসুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে কড়া বার্তাই দিতে চেয়েছে তারা। এই ঘটনা পর্দা সরিয়ে ভারতের আসল রূপ সকলের সামনে তুলে ধরেছে। গোটা দেশের এজন্য লজ্জা হওয়া উচিত।’ প্রাক্তন মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই গোটা দেশে বিতর্কের ঝড় বয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল আজম খানের নামে বিক্ষোভও দেখিয়েছে। এমনকী বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক নেতা আজম খানের জিভ কেটে আনার জন্য ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কারের কথাও ঘোষণা করেন।
[স্বমহিমায় ধোনি, স্পিনারদের দাপটে বিরাট জয় ভারতের]
এদিন আজম খানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ এ, ১৩১ ও ৫০৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যদিও প্রাক্তন এই মন্ত্রীর দাবি তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখা করা হয়েছে। রং চড়িয়েছে সংবাদমাধ্যম। বলেন, ‘আমার বক্তব্যে সংবাদমাধ্যম রং চড়িয়েছে। আমার জন্য সেনার আর্দশ বা নীতি কেন নষ্ট হবে? আমি কেউ নই। প্রধানমন্ত্রী যখন পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন তখনই সেনার আদর্শ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।’
[মা-বাবার ব্যবহৃত কন্ডোম নিয়ে এ কী করল মেয়ে!]
সর্বশেষ খবর
-
শহরের স্কুলে নতুন করে অসুস্থ ৭, হস্টেল ছুটির সিদ্ধান্ত, পরীক্ষা করা হচ্ছে পানীয় জল
-
ক্ষুদিরামের আত্মবলিদানই সুভাষচন্দ্রের অনুপ্রেরণা, গায়ে কাঁটা দেওয়া অগ্নিযুগের গল্প
-
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের ক্যাপ্টেন, প্রাক্তন নাইটের হাত ধরে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলবে রোনাল্ডোর দেশ?
-
পড়ুয়াদের কর্মমুখী করে তুলতে স্কটিশ চার্চ কলেজের অভিনব উদ্যোগ, পাশে শিল্পজগৎ
-
স্বাধীনতা দিবস বয়কটের ডাক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিন জঙ্গি সংগঠনের! নজরদারি চিকেনস নেকে